পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ

পুরোনো দলিল ও ভূমি রেকর্ডপত্র সহজে অনুধাবনের জন্য ব্যবহৃত ১৩০টি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ও পরিভাষার বিশদ অর্থ নিচে সুবিন্যস্ত ও পেশাদার বিন্যাসে উপস্থাপন করা হলো।

  • ১) মৌজা: নির্দিষ্ট রাজস্ব সীমানাভুক্ত গ্রাম বা লোকালয়।
  • ২) জে.এল নং (Jurisdiction List Number): মৌজা নম্বর বা গ্রাম নম্বর, যার মাধ্যমে প্রতিটি থানাধীন নির্দিষ্ট মৌজাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়।
  • ৩) ফর্দ: দলিলের পাতা বা তালিকা।
  • ৪) খং (খতিয়ান): ভূমি মালিকদের মালিকানা ও দখলের বিবরণ সম্বলিত সরকারি প্রামাণিক দলিল বা রেকর্ড।
  • ৫) সাবেক: আগের বা পূর্বের রেকর্ড কিংবা অবস্থা।
  • ৬) হাল: বর্তমান বা সাম্প্রতিক সময়।
  • ৭) বং (বাহক): যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির পক্ষে দলিল বা নাম লিখে দেন।
  • ৮) নিং: নিরক্ষর বা স্বাক্ষরহীন ব্যক্তি।
  • ৯) গং: সংক্ষেপে বোঝায় যে উক্ত সম্পত্তিতে আরও অংশীদার বা শরিক রয়েছে।
  • ১০) সাং (সাকিন): গ্রাম বা বসতি।
  • ১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা বা ছলাকলা।
  • ১২) সনাক্তকারী: দলিল সম্পাদনের সময় যিনি বিক্রেতা বা দাতাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন ও নিশ্চিত করেন।
  • ১৩) এজমালী: যৌথ মালিকানা বা একাধিক ব্যক্তির অংশীদারিত্বাধীন সম্পত্তি।
  • ১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক বা খসড়াকারক।
  • ১৫) পর্চা: বুঝাঝরত বা জরিপের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে অনুলিপি বা নকল মালিককে দেওয়া হয়।
  • ১৬) বাস্তু: বসতভিটা বা ঘরবাড়ি নির্মাণের উপযোগী ভূমি।
  • ১৭) বাটোয়ারা: যৌথ সম্পত্তির বণ্টন বা অংশভাগ।
  • ১৮) বায়া: জমির বিক্রেতা বা পূর্বসূরি মালিক।
  • ১৯) মং (মবলগ): মোট পরিমাণ বা সর্বমোট টাকা।
  • ২০) মবলক: মোট বা সমষ্টি।
  • ২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বা সমপরিমাণ কোনো কিছুর পরিবর্তে অন্য কিছু বদল বা বিনিময় করা।
  • ২২) হিস্যা: সম্পত্তি বা অধিকারের নির্দিষ্ট অংশ।
  • ২৩) একুনে: সমস্ত অঙ্কের যোগফল বা একত্রে মোট।
  • ২৪) জরিপ: ভূমির পরিমাণ বা পরিমাপের কাজ।
  • ২৫) এজমালী জোত: কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরিক বা অংশীদার থাকা।
  • ২৬) চৌহদ্দি: জমির চারপাশের সীমানা বা চতুঃসীমা।
  • ২৭) সিট: মৌজা নকশার নির্দিষ্ট অংশ বা খণ্ডচিত্র।
  • ২৮) দাখিলা: ভূমি রাজস্ব বা খাজনা পরিশোধের সরকারি রশিদ।
  • ২৯) নক্সা: ভূমির ভৌগোলিক মানচিত্র বা ম্যাপ।
  • ৩০) নল: ঐতিহ্যগতভাবে জমি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত মাপক দণ্ড।
  • ৩১) নাল: চাষাবাদের উপযোগী উর্বর কৃষিভূমি।
  • ৩২) পিং: পিতা বা আব্বা।
  • ৩৩) জং: স্বামী।
  • ৩৪) দাগ নং: মৌজা নকশায় প্রতিটি প্লট বা জমির খণ্ডের নির্ধারিত নম্বর।
  • ৩৫) এতদ্বার্থে: এই উদ্দেশ্যে বা এতকিছুর পর।
  • ৩৬) স্বজ্ঞানে: নিজের সুস্থ ও পূর্ণ বিচারবুদ্ধি মতে।
  • ৩৭) সমূদয়: সমস্ত বা সমুদয় সম্পত্তি।
  • ৩৮) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।
  • ৩৯) পত্র মিদং: এই পত্রের মাধ্যমে বা মারফত।
  • ৪০) বিং: বিস্তারিত বিবরণ।
  • ৪১) দং: দখলকার বা বর্তমান দখলদার।
  • ৪২) পত্তন: সাময়িক বা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া।
  • ৪৩) বদল সূত্র: এক জমি দিয়ে অন্য জমি গ্রহণ বা বিনিময় করা।
  • ৪৪) মৌকুফ: মওকুফ বা মাপ করা (সাধারণত খাজনা বা ঋণ)।
  • ৪৫) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশনা বা নকশার দিক নির্ধারণকারী রেখা।
  • ৪৬) হেবা বিল এওয়াজ: কোনো কিছুর বিনিময়ে সম্পত্তি দান করা।
  • ৪৭) বাটা দাগ: কাটা দাগ বা ভগ্নাংশাকারে প্রকাশিত দাগ (যেমন আগের দাগের নিচে নতুন খণ্ড নম্বর)।
  • ৪৮) অধুনা: বর্তমান কাল বা আধুনিক সময়।
  • ৪৯) রোক: নগদ অর্থ বা ক্যাশ।
  • ৫০) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল বা মধ্যবর্তী দলিল।
  • ৫১) দান সূত্র: দলিল মূলে কোনো ভূমি বা সম্পত্তি দান করা এবং দান গ্রহীতার মালিকানা অর্জন।
  • ৫২) দাখিল খারিজ: কোনো জোতের ভূমি ও জমা থেকে নির্দিষ্ট অংশ খরিদ্দার বা ওয়ারিশের নামে পৃথকভাবে নামজারি করা।
  • ৫৩) তফসিল: দলিলের নিম্নভাগে বা শেষাংশে লিখিত নির্দিষ্ট সম্পত্তির বিশদ বিবরণ ও তালিকা।
  • ৫৪) খারিজ: সরকার বা জমিদারের পক্ষ থেকে প্রজাকে তার অংশীদারের জমা থেকে পৃথকভাবে খাজনা প্রদানের অনুমতি দেওয়া।
  • ৫৫) খতিয়ান: প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য মালিকানা ও সীমানার সমন্বয়ে সৃষ্ট সরকারি রেকর্ড।
  • ৫৬) জরিপ (Survey): কর নির্ধারণ ও সীমানা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ভূমি জরিপ কার্য।
  • ৫৭) এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত: সমপরিমাণ ভূমি বা জিনিস বিনিময়ের মাধ্যমে অর্জন।
  • ৫৮) অছিয়তনামা: মৃত্যুর পূর্বে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বণ্টন বা নির্দেশসংবলিত উইল দলিল।
  • ৫৯) তফসিল (সম্পত্তি): বিক্রিত বা হস্তান্তরিত জমির সুনির্দিষ্ট বিবরণী তালিকা।
  • ৬০) নামজারী: অন্যান্য শরিক বা পূর্বের মালিকের নাম কেটে নতুন খতিয়ানে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা।
  • ৬১) অধীনস্থ স্বত্ব: ওপরের জমিদারী বা মালিকানা স্বত্বের অধীনে সৃষ্ট ছোট স্বত্ব বা নীচস্থ স্বত্ব।
  • ৬২) আলামত: ম্যাপে গাছপালা, বাড়িঘর, জলাশয় ইত্যাদি বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী চিহ্ন।
  • ৬৩) আমলনামা: নিলাম বা খরিদকৃত ভূমির ওপর দখল অর্জনের প্রাথমিক দলিল।
  • ৬৪) আসলি: মূল ভূমি বা মূল সম্পত্তি।
  • ৬৫) আধি (বর্গা): উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক মালিককে এবং অর্ধেক চাষিকে দেওয়ার চুক্তি বা প্রথা।
  • ৬৬) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনা ও মেয়াদের ভিত্তিতে সম্পত্তি বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।
  • ৬৭) ইয়াদদন্ত: স্মারকলিপি বা মেমোরেন্ডাম।
  • ৬৮) ইন্তেহার: সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র।
  • ৬৯) এস্টেট: ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের অধীন জমিদারী এলাকা বা মহাল।
  • ৭০) ওয়াকফ: ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
  • ৭১) কিত্তা: চতুর্দিকে সীমানা দ্বারা বেষ্টিত নির্দিষ্ট একখণ্ড ভূমি বা প্লট।
  • ৭২) কিস্তোয়ার জরিপ: গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো খণ্ড খণ্ড (কিত্তা) করে পরিমাপ করার পদ্ধতি।
  • ৭৩) কিস্তি: নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী অর্থ বা খাজনা পরিশোধের পর্যায়।
  • ৭৪) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী ও পাকাপোক্তভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমি মালিকানা।
  • ৭৫) কবুলিয়ত: প্রজার পক্ষ থেকে খাজনা প্রদানের শর্তে মালিকের বরাবর প্রদত্ত সম্মতিপত্র বা দলিল।
  • ৭৬) কটকোবালা: ঋণের বিপরীতে মহাজনের নিকট জমি বন্ধক রেখে প্রদত্ত শর্তযুক্ত দলিল।
  • ৭৭) কান্দা: উঁচু ভূমি বা বসতবাড়ির নিকটবর্তী অপেক্ষাকৃত উঁচু জমি।
  • ৭৮) কিসমত: বড় মৌজার অংশ বা উপ-মৌজা।
  • ৭৯) কোলা ভূমি: বসতবাড়ির সংলগ্ন নাল বা আবাদি জমি।
  • ৮০) কোল: নদীর কোনো ছোট অংশ বা প্রধান স্রোতের সাথে সংযুক্ত জলধারা।
  • ৮১) খানাপুরী: রেকর্ড অব রাইটস (Record of Rights) তৈরির প্রাথমিক ধাপ বা খসড়া খতিয়ানের ঘর পূরণের কাজ।
  • ৮২) খামার: ভূম্যধিকারীর নিজস্ব খাস দখলীয় আবাদি ভূমি বা নিজ জোত।
  • ৮৩) খাইখন্দক: ডোবা, গর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য বা নিচু ভূমি।
  • ৮৪) খিরাজ: ভূমি কর বা খাজনা।
  • ৮৫) খানে খোদা: মসজিদ বা আল্লাহর ঘর।
  • ৮৬) খসড়া: জমির প্রাথমিক বিবরণ বা নথির ড্রাফট।
  • ৮৭) গর বন্দোবস্তি: যে জমির অদ্যাবধি কোনো সরকারি বা ব্যক্তিগত বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি।
  • ৮৮) গরলায়েক পতিত: খাল, নালা, জঙ্গল বা অনাবাদি পতিত জমি।
  • ৮৯) গির্বি: সম্পত্তি বন্ধক রাখা।
  • ৯০) চক: থক বা বসত ম্যাপের এক একটি নির্দিষ্ট ব্লক বা পট।
  • ৯১) জমা বন্দি: প্রজার খাজনার তালিকা ও হিসাবের খাতা।
  • ৯২) চাকরাণ: জমিদার বা প্রাতিষ্ঠানিক কাজ সম্পাদনের বিনিময়ে ভোগদখলের জন্য প্রদত্ত জমি।
  • ৯৩) চাঁদা: জরিপ কাজের সুবিধার্থে নির্ধারিত স্থায়ী স্টেশন বা পয়েন্ট।
  • ৯৪) চটান: বসতবাড়ির সংলগ্ন উঁচু ও পতিত খোলা স্থান।
  • ৯৫) চালা: উঁচু আবাদি ভূমি (যেমন পুকুরের পাড় বা টিলা সদৃশ জমি)।
  • ৯৬) চর: নদীর স্রোতে পলি জমে গঠিত নতুন ভূমি।
  • ৯৭) জবর-দখল: বলপূর্বক বা অবৈধ উপায়ে অন্যের জমি দখল করা।
  • ৯৮) জমা: এক বা একাধিক ভূমির জন্য ধার্যকৃত একত্রে বার্ষিক খাজনা।
  • ৯৯) জোত: প্রজার নিজস্ব ভূমি মালিকানা বা প্রজা স্বত্ব এলাকা।
  • ১০০) জজিরা: নাব্য নদীতে প্রাকৃতিকভাবে গঠিত নতুন দ্বীপ বা চরভূমি।
  • ১০১) জায়সুদী: হস্তান্তর ক্ষমতা ছাড়া নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা আসল শোধ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধক রাখা।
  • ১০২) জালি: জলাভূমি বা প্লাবিত অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া একপ্রকার ধান।
  • ১০৩) টেক: নদী ভাঙনের পর পলি জমে ভরাট হওয়া এবং পরবর্তীতে জেগে ওঠা ভূমি।
  • ১০৪) টাভার্স: জরিপের কাজের জন্য মাঠপর্যায়ে পরিচালিত ঘের বা ট্রাভার্স জরিপ।
  • ১০৫) ঠিকা রায়ত: নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সাময়িকভাবে দখলকার বা যে রায়তের স্থায়ী স্বত্ব নেই।
  • ১০৬) ঢোল সহরত: ক্রোক, নিলাম বা দখলিস্বত্ব জারির উদ্দেশ্যে এলাকায় ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা দেওয়া।
  • ১০৭) তামিল: আদালতের আদেশ বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী রেকর্ড সংশোধন করা।
  • ১০৮) তামাদি: আইনগতভাবে দাবি আদায়ের নির্দিষ্ট সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়া।
  • ১০৯) তুদাবন্দী: জমির সীমানা নির্ধারণ বা চিহ্নিতকরণ।
  • ১১০) তহশিল: ভূমি রাজস্ব বা খাজনা আদায়ের জন্য নির্ধারিত নির্দিষ্ট প্রশাসনিক এলাকা বা অফিস।
  • ১১১) তলবানা: সমন বা নোটিশ জারির জন্য পিয়ন বা জারাকারককে প্রদত্ত ফি।
  • ১১২) তলববাকী: বকেয়া খাজনা আদায়ের তাগিদ ও কিস্তি।
  • ১১৩) তালুক: জমিদারির অধীনস্থ মাঝারি বা ছোট রাজস্ব এলাকা বা নিম্নস্থ স্বত্ব।
  • ১১৪) তরমিম: ভুলত্রুটি সংশোধন বা পরিমার্জন করা।
  • ১১৫) তরতিব: নিয়মানুবর্তিতা বা শৃঙ্খলিত বিন্যাস।
  • ১১৬) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরেটে সংরক্ষিত রেজিস্ট্রি বই ও তার ক্রমিক নম্বর।
  • ১১৭) দিয়ারা: নদীভাঙন ও পলিমাটি দ্বারা গঠিত নতুন চর বা জোয়ার-ভাটার ভূমি।
  • ১১৮) দর পত্তনী: পত্তনিদারের অধীনে ক্ষুদ্রতর বন্দোবস্ত বা পত্তন।
  • ১১৯) দখলী স্বত্ব বিশিষ্ট প্রজা: আইনগতভাবে জমিতে দখলদার হিসেবে স্থায়ী স্বত্বাধিকারী প্রজা।
  • ১২০) দশসালা বন্দোবস্ত: ব্রিটিশ আমলে ১০ বছরের মেয়াদে প্রদত্ত ভূমি বন্দোবস্ত ব্যবস্থা।
  • ১২১) দিয়ারা (পুনরাবৃত্তি): পলিমাটি দ্বারা নদীগর্ভে বা চরে গঠিত নতুন ভূমিখণ্ড।
  • ১২২) দাগ নম্বর: মৌজা নকশায় প্রতিটি জমির খণ্ডের ক্রমিক পরিচিতি নম্বর।
  • ১২৩) দরবস্ত: সম্পূর্ণ সম্পত্তি বা সমুদয় অংশ।
  • ১২৪) নথি: সরকারি বা দাপ্তরিক ফাইল বা রেকর্ডপত্র।
  • ১২৫) দেবোত্তর: হিন্দু দেব-দেবীর সেবামূলক কাজের জন্য উৎসর্গকৃত নিষ্কর সম্পত্তি।
  • ১২৬) দেবিচর: যে বালুচরগুলো সাধারণ জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায়।
  • ১২৭) দিঘলি: নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা প্রদানকারী বিশেষ শ্রেণির প্রজা।
  • ১২৮) নক্সা ভাওড়ন (Relaying Boundaries): পূর্বের ফিল্ডবুক ও মাপ অনুযায়ী হারিয়ে যাওয়া বা পরিবর্তিত মৌজা সীমানা পুনরায় নির্ধারণ করা।
  • ১২৯) নামজারী: পূর্বের মালিকের নাম পরিবর্তন করে খরিদ্দার বা ওয়ারিশের নামে সরকারি রেকর্ডে নাম অন্তর্ভুক্ত করা।
  • ১৩০) নাম খারিজ বা জমা খারিজ: মূল জোতের জমা থেকে নির্দিষ্ট জমির অংশ কেটে আলাদা নতুন জমা ও খতিয়ান সৃষ্টি করা।