বাংলা ব্যাকরণের ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলা ব্যাকরণের ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

🔹 ধ্বনি ও বর্ণ (১–১৫)
১. ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: মানুষের মুখ দিয়ে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ বা অর্থহীন শব্দের ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলা হয়।
👉 অর্থাৎ আমরা কথা বলার সময় যে শব্দ তৈরি করি, সেটাই ধ্বনি।
উদাহরণ:
“ক” একটি ধ্বনি, “আ” একটি ধ্বনি।
২. বর্ণ কাকে বলে?
উত্তর: ধ্বনির লিখিত বা লিখে প্রকাশিত রূপকে বর্ণ বলা হয়।
👉 আমরা যেগুলো লিখি বা দেখি—সেগুলো বর্ণ।
উদাহরণ:
ক, খ, গ, আ, ই — এগুলো বর্ণ।
৩. বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ কয়টি?
উত্তর: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে।
👉 এর মধ্যে
১১টি স্বরবর্ণ
৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ
৪. স্বরবর্ণ কী? কয়টি?
উত্তর: যেসব বর্ণ স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হতে পারে, সেগুলো স্বরবর্ণ।
👉 মোট ১১টি।
উদাহরণ:
অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ
৫. ব্যঞ্জনবর্ণ কী? কয়টি?
উত্তর: যেসব বর্ণ স্বরবর্ণ ছাড়া উচ্চারিত হতে পারে না, সেগুলো ব্যঞ্জনবর্ণ।
👉 মোট ৩৯টি।
উদাহরণ:
ক, খ, গ, ঘ, চ, ছ ইত্যাদি।
৬. কার কাকে বলে?
উত্তর: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত বা চিহ্নরূপ যা ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উচ্চারণ সহজ করে, তাকে কার বলা হয়।
উদাহরণ:
ক + া = কা
ক + ি = কি
এখানে “া”, “ি” হলো কার।
৭. যুক্তবর্ণ কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একসাথে যুক্ত হয়ে যে বর্ণ তৈরি করে, তাকে যুক্তবর্ণ বলে।
উদাহরণ:
ক + ষ = ক্ষ
ত + র = ত্র
জ + ঞ = জ্ঞ
৮. স্বরধ্বনি কী?
উত্তর: যে ধ্বনি স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয় এবং অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য লাগে না, তাকে স্বরধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
অ, আ, ই
৯. ব্যঞ্জনধ্বনি কী?
উত্তর: যে ধ্বনি স্বরধ্বনির সাহায্যে উচ্চারিত হয়, তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
“ক” একা উচ্চারণ করা যায় না—“ক + অ = ক”
১০. ঘোষ ধ্বনি কী?
উত্তর: উচ্চারণের সময় স্বরযন্ত্র কম্পিত হলে সেই ধ্বনিকে ঘোষ ধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
গ, ঘ, দ, ধ
👉 গলা কাঁপে।
১১. অঘোষ ধ্বনি কী?
উত্তর: উচ্চারণের সময় স্বরযন্ত্র কম্পিত না হলে তাকে অঘোষ ধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
ক, খ, প, ফ
১২. স্পর্শধ্বনি কী?
উত্তর: উচ্চারণের সময় মুখের অঙ্গগুলো সম্পূর্ণ স্পর্শ করে যে ধ্বনি তৈরি হয়, তাকে স্পর্শধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
ক, গ, ত, দ
১৩. নাসিক্যধ্বনি কী?
উত্তর: যে ধ্বনি নাক দিয়ে উচ্চারিত হয়, তাকে নাসিক্যধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
ঙ, ঞ, ণ, ন, ম
১৪. উষ্মধ্বনি কী?
উত্তর: যে ধ্বনি উচ্চারণে বায়ু ঘর্ষণ হয়, তাকে উষ্মধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
শ, ষ, স, হ
১৫. অর্ধস্বর কী?
উত্তর: যেসব ধ্বনি স্বর ও ব্যঞ্জনের মাঝামাঝি, তাদের অর্ধস্বর বলা হয়।
উদাহরণ:
য, র, ল
🔹 শব্দ (১৬–৩০)
১৬. শব্দ কাকে বলে?
উত্তর: অর্থবোধক ধ্বনির সমষ্টিকে শব্দ বলে।
উদাহরণ:
“বই”, “মানুষ”, “পানি”
১৭. তৎসম শব্দ কী?
উত্তর: যে শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত অবস্থায় এসেছে, তাকে তৎসম শব্দ বলে।
উদাহরণ:
নর, নারী, সূর্য
১৮. তদ্ভব শব্দ কী?
উত্তর: সংস্কৃত শব্দ থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে এমন শব্দকে তদ্ভব বলে।
উদাহরণ:
নর → নর → লোক
দুগ্ধ → দুধ
১৯. দেশজ শব্দ কী?
উত্তর: বাংলা ভাষার নিজস্ব বা স্থানীয়ভাবে তৈরি শব্দকে দেশজ শব্দ বলে।
উদাহরণ:
খাবার, ঢোল, কুড়াল
২০. বিদেশি শব্দ কী?
উত্তর: অন্য ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা শব্দকে বিদেশি শব্দ বলে।
উদাহরণ:
স্কুল (ইংরেজি)
কিতাব (আরবি)
২১. সমার্থক শব্দ কী?
উত্তর: একই অর্থ বোঝায় এমন ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলে।
উদাহরণ:
সূর্য = রবি = আদিত্য
২২. বিপরীতার্থক শব্দ কী?
উত্তর: বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ।
উদাহরণ:
ভাল ↔ মন্দ
দিন ↔ রাত
২৩. সমোচ্চারিত শব্দ কী?
উত্তর: যেসব শব্দের উচ্চারণ একই কিন্তু অর্থ ভিন্ন।
উদাহরণ:
কল (যন্ত্র), কল (কলা গাছ)
২৪. সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ কী?
উত্তর: একই উচ্চারণ কিন্তু ভিন্ন অর্থের শব্দ।
উদাহরণ:
চাল = rice / trick
২৫. উপসর্গ কী?
উত্তর: শব্দের আগে বসে অর্থ পরিবর্তন করে এমন অংশকে উপসর্গ বলে।
উদাহরণ:
অ + সুখ = অসুখ
বি + বিচার = বিবেচনা
২৬. অনুসর্গ কী?
উত্তর: শব্দের পরে বসে সম্পর্ক বোঝায়।
উদাহরণ:
বইটি তে
ঘরের ভিতরে
২৭. প্রত্যয় কী?
উত্তর: শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
উদাহরণ:
শিক্ষা + ক = শিক্ষক
খেলা + ড় = খেলোয়াড়
২৮. মূল শব্দ কী?
উত্তর: যে শব্দ থেকে অন্য শব্দ তৈরি হয়।
উদাহরণ:
“খেলা” → খেলোয়াড়, খেলাধুলা
২৯. যৌগিক শব্দ কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক শব্দ মিলিয়ে নতুন শব্দ তৈরি হলে তাকে যৌগিক শব্দ বলে।
উদাহরণ:
রেল + গাড়ি = রেলগাড়ি
৩০. সমাসবদ্ধ শব্দ কী?
উত্তর: সমাস প্রক্রিয়ায় সংক্ষেপিত শব্দকে সমাসবদ্ধ শব্দ বলে।
উদাহরণ:
রাজ + পুত্র = রাজপুত্র

🔹 পদ (৩১–৫০)
৩১. পদ কাকে বলে?
উত্তর: বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি অর্থবোধক শব্দকে পদ বলা হয়।
👉 শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় তখনই তা পদে পরিণত হয়।
উদাহরণ:
আমি বই পড়ি। → এখানে “আমি”, “বই”, “পড়ি” = পদ
৩২. পদ কয় প্রকার?
উত্তর: পদ ৮ প্রকার।
👉 বিশেষ্য, সর্বনাম, ক্রিয়া, বিশেষণ, ক্রিয়াবিশেষণ, অব্যয়, অনুসর্গ, সমুচ্চয় অব্যয়
৩৩. বিশেষ্য কী?
উত্তর: ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, গুণ বা ভাবের নামকে বিশেষ্য বলে।
উদাহরণ:
রহিম, ঢাকা, বই, সৌন্দর্য
৩৪. বিশেষণের কাজ কী?
উত্তর: বিশেষ্যের গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করা।
উদাহরণ:
লাল ফুল (লাল = বিশেষণ)
৩৫. সর্বনাম কী?
উত্তর: বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে সর্বনাম বলে।
উদাহরণ:
রহিম স্কুলে যায় → সে স্কুলে যায়
৩৬. ক্রিয়া কী?
উত্তর: যে পদ কাজ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে ক্রিয়া বলে।
উদাহরণ:
খাই, যাই, বসে
৩৭. ক্রিয়াবিশেষণ কী?
উত্তর: ক্রিয়ার সময়, স্থান, রীতি বা পরিমাণ বোঝায় এমন শব্দ।
উদাহরণ:
সে দ্রুত দৌড়ায় (দ্রুত = ক্রিয়াবিশেষণ)
৩৮. অব্যয় কী?
উত্তর: যে শব্দের কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না, তাকে অব্যয় বলে।
উদাহরণ:
এবং, কিন্তু, যদি
৩৯. সমুচ্চয় অব্যয় কী?
উত্তর: যে অব্যয় দুইটি শব্দ বা বাক্য যুক্ত করে।
উদাহরণ:
রহিম এবং করিম
৪০. অনুসর্গ কী?
উত্তর: বিশেষ্যের পরে বসে সম্পর্ক বোঝায়।
উদাহরণ:
বইয়ের উপর, ঘরের ভিতরে
৪১. ক্রিয়ার কাল কয় প্রকার?
উত্তর: ৩ প্রকার — বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ
৪২. বর্তমান কাল কী?
উত্তর: বর্তমানে ঘটছে এমন কাজ বোঝায়।
উদাহরণ:
আমি খাই
৪৩. অতীত কাল কী?
উত্তর: অতীতে সম্পন্ন কাজ বোঝায়।
উদাহরণ:
আমি খেয়েছিলাম
৪৪. ভবিষ্যৎ কাল কী?
উত্তর: ভবিষ্যতে ঘটবে এমন কাজ বোঝায়।
উদাহরণ:
আমি খাব
৪৫. পুরুষ কয় প্রকার?
উত্তর: ৩ প্রকার — উত্তম, মধ্যম, নাম পুরুষ
৪৬. উত্তম পুরুষ কী?
উত্তর: বক্তা নিজে।
উদাহরণ:
আমি, আমরা
৪৭. মধ্যম পুরুষ কী?
উত্তর: যাকে বলা হয়।
উদাহরণ:
তুমি, তোমরা
৪৮. নাম পুরুষ কী?
উত্তর: যার সম্পর্কে বলা হয়।
উদাহরণ:
সে, তারা
৪৯. লিঙ্গ কয় প্রকার?
উত্তর: ২ প্রকার — পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ
৫০. লিঙ্গের উদাহরণ দিন
উত্তর:
রাজা (পুংলিঙ্গ), রানি (স্ত্রীলিঙ্গ)
🔹 বাক্য (৫১–৭০)
৫১. বাক্য কী?
উত্তর: সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশকারী শব্দসমষ্টিকে বাক্য বলে।
উদাহরণ:
আমি স্কুলে যাই।
৫২. বাক্যের প্রধান অংশ কয়টি?
উত্তর: ২টি — উদ্দেশ্য ও বিধেয়
৫৩. উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: যার সম্পর্কে বলা হয়।
উদাহরণ:
রহিম খেলছে → রহিম = উদ্দেশ্য
৫৪. বিধেয় কী?
উত্তর: উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয়।
উদাহরণ:
খেলছে = বিধেয়
৫৫. সরল বাক্য কী?
উত্তর: একটি মাত্র ভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
আমি বই পড়ি।
৫৬. যৌগিক বাক্য কী?
উত্তর: একাধিক স্বাধীন বাক্য যুক্ত হয়।
উদাহরণ:
আমি পড়ি এবং সে খেলে
৫৭. জটিল বাক্য কী?
উত্তর: প্রধান ও অধীন বাক্য থাকে।
উদাহরণ:
যখন বৃষ্টি হয়, তখন আমি পড়ি
৫৮. কর্তা কী?
উত্তর: যে কাজটি করে।
উদাহরণ:
রহিম দৌড়ায় → রহিম = কর্তা
৫৯. কর্ম কী?
উত্তর: যার উপর কাজের প্রভাব পড়ে।
উদাহরণ:
আমি বই পড়ি → বই = কর্ম
৬০. ক্রিয়া পদ কী?
উত্তর: কাজ বোঝায় এমন পদ।
৬১. বাক্য কয় প্রকার?
উত্তর: ৫ প্রকার (বর্ণনামূলক, প্রশ্নবোধক, আদেশমূলক, বিস্ময়সূচক, প্রার্থনামূলক)
৬২. প্রশ্নবোধক বাক্য কী?
উত্তর: প্রশ্ন প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
তুমি কোথায় যাচ্ছ?
৬৩. আদেশমূলক বাক্য কী?
উত্তর: আদেশ বা অনুরোধ বোঝায়।
উদাহরণ:
দরজা বন্ধ করো
৬৪. বিস্ময়সূচক বাক্য কী?
উত্তর: বিস্ময় প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
কি সুন্দর!
৬৫. প্রার্থনামূলক বাক্য কী?
উত্তর: প্রার্থনা বোঝায়।
উদাহরণ:
আল্লাহ আমাকে সাহায্য করুন
৬৬. নৈবাচক বাক্য কী?
উত্তর: না বোঝায়।
উদাহরণ:
আমি যাই না
৬৭. ধনাত্মক বাক্য কী?
উত্তর: হ্যাঁ বোঝায়।
৬৮. বাক্যের শুদ্ধতা কেন জরুরি?
উত্তর: অর্থ পরিষ্কার করতে।
৬৯. বাক্য রূপান্তর কী?
উত্তর: বাক্যের ধরন পরিবর্তন।
৭০. উদাহরণ দিন
উত্তর:
আমি যাই → আমি যাই না
🔹 কারক ও বিভক্তি (৭১–৮৫)
৭১. কারক কয়টি?
উত্তর: ৬টি
৭২. কর্তৃকারক কী?
উত্তর: কর্তা বোঝায়
👉 রহিম খেলছে
৭৩. কর্মকারক কী?
উত্তর: কর্ম বোঝায়
👉 বই পড়ি
৭৪. করণ কারক কী?
উত্তর: যন্ত্র বোঝায়
👉 কলম দিয়ে লিখি
৭৫. অধিকরণ কারক কী?
উত্তর: স্থান বোঝায়
👉 ঘরে বসি
৭৬. অপাদান কারক কী?
উত্তর: বিচ্ছেদ বোঝায়
👉 গাছ থেকে পড়ল
৭৭. সম্বন্ধ কারক কী?
উত্তর: সম্পর্ক বোঝায়
👉 রহিমের বই
৭৮. বিভক্তি কী?
উত্তর: কারক নির্দেশক চিহ্ন
৭৯. বিভক্তির উদাহরণ
উত্তর:
এর, কে, তে
৮০. শূন্য বিভক্তি কী?
উত্তর: বিভক্তি না থাকলেও বোঝা যায়
👉 আমি যাই
৮১. কারক ও বিভক্তির পার্থক্য
উত্তর: কারক অর্থ বোঝায়, বিভক্তি চিহ্ন।
৮২. কর্তা কারক চিহ্ন
উত্তর: শূন্য
৮৩. কর্ম কারক চিহ্ন
উত্তর: কে
৮৪. অধিকরণ চিহ্ন
উত্তর: তে
৮৫. অপাদান চিহ্ন
উত্তর: থেকে
🔹 সমাস ও সন্ধি (৮৬–১০০)
৮৬. সমাস কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক শব্দ সংক্ষেপে প্রকাশ।
৮৭. দ্বন্দ্ব সমাস কী?
উত্তর: উভয় শব্দ সমান
👉 মা-বাবা
৮৮. তৎপুরুষ সমাস কী?
উত্তর: পরের শব্দ প্রধান
👉 রাজপুত্র
৮৯. বহুব্রীহি সমাস কী?
উত্তর: অন্য কিছুকে বোঝায়
👉 চক্রপাণি (বিষ্ণু)
৯০. কর্মধারয় সমাস কী?
উত্তর: বিশেষণ + বিশেষ্য
👉 নীল আকাশ
৯১. সন্ধি কী?
উত্তর: ধ্বনির মিলন
৯২. স্বরসন্ধি কী?
উত্তর: স্বরের মিলন
👉 দেব + আলয় = দেবালয়
৯৩. ব্যঞ্জনসন্ধি কী?
উত্তর: ব্যঞ্জনের মিলন
৯৪. বিসর্গসন্ধি কী?
উত্তর: বিসর্গ যুক্ত মিলন
৯৫. সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
উত্তর: ভেঙে মূল শব্দ বের করা
৯৬. উদাহরণ
উত্তর:
লোকালয় = লোক + আলয়
৯৭. সমাসের উদাহরণ
উত্তর:
রাজপুত্র = রাজ + পুত্র
৯৮. সন্ধি ও সমাসের পার্থক্য
উত্তর:
👉 সন্ধি = ধ্বনি
👉 সমাস = শব্দ
৯৯. ব্যাকরণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: শুদ্ধ ভাষা ব্যবহারের জন্য
১০০. বাংলা ব্যাকরণের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: ভাষাকে শুদ্ধ, সুন্দর ও সঠিকভাবে ব্যবহার করা