শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২

বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি ব্যাকরণের

বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি

১। ভাষার মূল উপকরণ বাক্য।
২। ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি।
৩। ভাষার মৌলিক উপাদান শব্দ।
৪। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক/মৌলিক উপাদান শব্দ।
৫। ধ্বনিকেশব্দের ক্ষুদ্রতম একক বলা হয়।
৬। শব্দকে বাক্যের প্রাণ বলা হয় ।
৭। উপসর্গ পদের আগে বসে, আর প্রত্যয় পদের পরে বসে ।
৮। উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে ।
৯। যে ৪টি উপসর্গ বাংলা, তৎসম উভয় ক্ষেত্রেই রয়েছে আ, সু, নি , বি।
১০। অনুসর্গের অপর নাম কর্মপ্রবচনীয় বলে। এরা স্বাধীন পদ রুপে ও শব্দ বিভক্তির ন্যায় ব্যবহৃত হতে পারে।
১১। বিভক্তিহীন নাম শব্দ বলে প্রাতিপাদিক বা নাম প্রকৃতি ।
১২। বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে ।
১৩। ক্রিয়াপদের মূলকে ধাতু বলে ।
১৪। বাক্যে অপরিহার্য ক্রিয়াপদ ।
১৫। সন্ধির সুবিধা ২টি ১. উচ্চারণ সহজ ২. ধ্বনিগত মাধুর্য স্থাপন সম্পাদন ।
১৬। ভাষার অপপ্রয়োগ ঘটে মূলত ৩টি কারণে । ১. উচ্চারণগত, ২ শব্দগঠনজনিত ৩. শব্দের অর্থগত
১৭। খাঁটি বাংলা শব্দে বিসর্গের ব্যবহার নাই ।
১৮। তৎসম শব্দে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান খাটে না ।
১৯। সমাসবদ্ধ শব্দে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান খাটে না ।
২০। সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে ।
২১। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে আগত।
২২। ব্যাকরণ শব্দটি সংস্কৃত থেকে আগত।
২৩। শব্দের অন্ত্য বর্ণের পূর্ব বর্ণ কে উপধা বলে ।
২৪। সমন্ধ পদ, তারিখ লিখতে, ঠিকানা লিখতে পদের পর কমা বসাতে হয়।
২৫। বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য বলে।
॥॥
ব্যাকরণের সংখ্যা
১। ভাষার রীতি – ২ টি (সাধু ও চলিত)
২। সারা পৃথিবীতে ভাষা প্রচলিত আছে – ৩৫০০ (প্রায়)
৩। ভাষার মৌলিক অংশ – ৪ টি
৪। ভাষার আলোচ্য বিষয় – ৪টি
৫। বাংলা ভাষায় ধ্বনি – ২ প্রকার (স্বর ধ্বনি ও ব্যঞ্জণ ধ্বনি)
৬। বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে - ৫০টি
৭। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ – ১১ টি
৮। বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ – ৩৯টি
৯। বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ – ৭টি
১০। বাংলা বর্ণমালায় মাত্রা বিহীন বর্ণ – ১০ টি
১১। বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রাযুক্ত বর্ণ – ৮টি
১২। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা বর্ণ – ৩২ টি
১৩। বাংলা ধ্বনির মতো বর্ণ – দুই প্রকার। ১. স্বরবর্ণ, ২. ব্যঞ্জনবর্ণ।
১৪। স্বরবর্ণের ‘কার’ চিহ্ন – ১০টি
১৫। কার চিহ্ন নেই এমন স্বরবর্ণ – ১ টি (অ)
১৬। বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বজ্ঞাপক বর্ণ – ২ টি (ঐ এবং ঔ)
১৭। বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা – ২৫ টি
১৮। মাত্রাহীন স্বরবর্ণ – ৪ টি (এ, ঐ, ও, ঔ)
১৯। মাত্রাহীন ব্যঞ্জণবর্ণ – ৬ টি
২০। অর্ধমাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ – ১ টি (ঋ)
২১। অর্ধমাত্রাযুক্ত ব্যঞ্জণবর্ণ – ৭টি
২২। শিশ ধ্বনি বা উষ্ণ ধ্বনি – ৪টি
২৩। স্পর্শ ধ্বনি – ২৫ টি
২৪। কন্ঠ ধ্বনি বা জিহবামূলীয় ধ্বনি – ৫ টি (ক, খ, গ, ঘ, ঙ)
২৫। তালব্য ধ্বনি – ৫ টি (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ)
২৬। মূর্ধন্য ধ্বনি – ৫ টি (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ)
২৭। দন্ত ধ্বনি – ৫ টি (ত, থ, দ, ধ, ন)
২৮। পার্শ্বিক ধ্বনি – ১ টি (ল)
২৯। নাসিক্য ধ্বনি – ৫ টি (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম)
৩০। অন্তঃস্থ ধ্বনি – ৪ টি (য, র, ল, ব)
৩১। তাড়নজাত ধ্বনি – ২টি (ড়, ঢ়)
৩২। কম্পনজাত ধ্বনি – ১ টি (র)
৩৩। পরাশ্রায়ী ব্যঞ্জণবর্ণ – ৩ টি
৩৪। বাংলা সন্ধি প্রধানত – ২ প্রকার স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জন সন্ধি
৩৫। তৎসম সন্ধি/সংস্কৃত সন্ধি – ৩ প্রকার । যথা: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জন সন্ধি, বিসর্গ সন্ধি।
৩৬। ক্রমবাচক সংখ্যা – ৪ প্রকার
৩৭। কারক কত প্রকার? = ৬ প্রকার । কর্তৃকারক, কর্মকারক, করণ, অপাদান, সম্প্রদান, অধিকরণ ।
৩৮। সমাস সাধারণত কত প্রকার? = ৬ প্রকার । দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, অব্যয়ীভাব, দ্বিগু, বহুব্রিহি ।
৩৯। বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে সমাস ৪ প্রকার । যথা: অব্যয়ীভাব, তৎপুরুষীয়, দ্বন্দ্বমূলক, বহুব্রিহিমূলক ।
৪১। বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনিগুলো - ২ ভাগে বিভক্ত যথা: স্বরধ্বনি (১১টি) , ব্যঞ্জনধ্বনি (৩৯) ।
৪২। ণ -ত্ব বিধানের নিয়ম = ৪ টি ।
৪৩। লিঙ্গ কত প্রকার = ৪ প্রকার । (পুং লিঙ্গ, স্ত্রী লিঙ্গ, উভয় লিঙ্গ ও ক্লীব লিঙ্গ)
৪৪। বচন কত প্রকার? = ২ প্রকার । যথা: একবচন, বহু বচন
৪৫। উপসর্গ কত প্রকার = ৩ প্রকার । খাঁটি বাংলা (২১), তৎসম (২০) ও বিদেশি)
৪৬। প্রত্যয় কত প্রকার? = ২ প্রকার । ধাতুপ্রত্যয় বা কৃৎপ্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয় ।
৪৭। দ্বিরুক্তি কত প্রকার? = ৩ প্রকার । শব্দের দ্বিরুক্তি, পদের দ্বিরুক্তি, অনুকার দ্বিরুক্তি ।
৪৮। বিভক্তি কত টি? = ৭টি ।
৪৯। সমাসের প্রতীতি কয়টি? = ৫টি । যথা: সমস্তপদ , পূর্বপদ , পরপদ , ব্যাসবাক্য ও সমস্যমান পদ ।
৫০। বাক্য প্রধানত কত প্রকার? = ৩ প্রকার । সরল, জটিল বা মিশ্র, যৌগিক ।
৫১। বাক্যের অংশ ২টি > উদ্দেশ্য ও বিধেয়;
৫২। বাক্যের গুণ ৩টি: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা।
৫৩। অর্থ অনুসারে বাক্য কত প্রকার? ৫ প্রকার
৫৪। উৎপত্তিগত ভাবে শব্দ কত প্রকার? = ৫ প্রকার । তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ।
৫৫। গঠনগত ভাবে শব্দ কত প্রকার? = ২ প্রকার। মৌলিক ও সাধিত ।
৫৬। অর্থগত ভাবে শব্দ কত প্রকার? = ৩ প্রকার । যৌগিক, রুঢ়, যোগরুঢ়
৫৭। কতটি উপায়ে শব্দ গঠন করা যায়? = ৮টি ।
৫৮। পদ প্রধানত কত প্রকার? = ২ প্রকার । যথা: নামপদ ও ক্রিয়াপদ ।
৫৯। নামপদ কত প্রকার? = ৪ প্রকার (বিশেষ্য, বিশেষণ, অব্যয়, সর্বনাম)
৬০। অব্যয় কত প্রকার? = ৪ প্রকার । (যথা: সমুচ্চয়ী বা সম্বন্ধবাচক, অনন্বয়ী, অনুসর্গ, অনুকার অব্যয়)
৬১ । যতিচিহ্ন কয়টি? = ১২ টি ।
৬২। অক্ষর কত প্রকার? = ২ প্রকার । মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর
৬৩। বাংলা ছন্দ কত প্রকার? = ৩ প্রকার । যথা: অক্ষরবৃত্ত, স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত
৬৪। ব্যাকরণে অলঙ্গকার কত প্রকার? = ২ প্রকার । যথা: শব্দালঙ্কার, অর্থালঙ্কার ।
৬৫। ক্রিয়ার কাল কত প্রকার? = ৩ প্রকার । বর্তমান কাল, অতীতকাল, ভবিষ্যৎকাল
৬৬। ক্রিয়ার ভাব কত প্রকার? = ৪ প্রকার । নির্দেশক, সাপেক্ষ, আকাঙ্ক্ষা, অনুজ্ঞা
৬৭। সংখ্যাবাচক শব্দ কত প্রকার? = ৪ প্রকার । যথা: অঙ্ক বাচক,পরিমাণবাচক, ক্রমবাচক, তারিখ বাচক ।
৬৮। ভাব প্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া পদ কত প্রকার? = ২ প্রকার । যথা: সমাপিকা ও অসমাপিকা ।
৬৯। বাক্যের অর্থ গঠনের বিচার করে ক্রিয়া পদকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়? = ২ প্রকার । সকর্মক, অকর্মক ।
৭০। সর্বনাম কত প্রকার? ১০ প্রকার
৭১। উক্তি কত প্রকার? ২ প্রকার (প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরোক্ষ উক্তি)
৭২। বিশেষণ পদ কত প্রকার? ২ প্রকার
৭৩। ভাব বিশেষণ কত প্রকার? ৪ প্রকার (ক্রিয়া বিশেষণ, বিশেষণের বিশেষণ, অব্যয়ের বিশেষণ, বাক্যের বিশেষণ)
৭৪। বাচ্য কত প্রকার? ৩ প্রকার (কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য)
৭৫। বাংলা ভাষায় ধাতুর গণ কয়টি? ২০ টি

কনফিউজিং সমাস সমাচারঃ
👉 প্রাদি সমাসঃ এই সমাসে 'প্র', 'প্রতি' এবং 'অনু' এই তিনটি তৎসম উপসর্গ ব্যবহৃত হয়।
➡️ অনুতে যে তাপ= অনুতাপ (অনু)
👉 প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসঃ একটু বিশ্লেষণ করি__ 'প্রত্যয়+অন্ত=প্রত্যয়ান্ত', অর্থাৎ সমস্ত পদটির শেষে আ/এ/ও একটি প্রত্যয় যুক্ত হয়।
➡️ একদিকে চোখ যায়= একচোখা (আ)
👉 উপপদ তৎপুরুষ সমাসঃ এই সমাসে ব্যাসবাক্যে ক্রিয়ামূলের সাথে 'এ-কার' যুক্ত হয়।
➡️ সত্য কথা বলে যে = সত্যবাদী (বল্+‌এ)

কনফিউশন দূর
বাক্যঃ বাক্যের সাথে বর্ণের কোনো সম্পর্ক নেই, শব্দের আছে।
বাক্যের মূল উপাদান >>> শব্দ
বাক্যের মূল উপকরণ >>> শব্দ
বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক >>> শব্দ
শব্দঃ শব্দের সাথে ধ্বনির সম্পর্ক আছে।
শব্দের মূল উপাদান >>> ধ্বনি
শব্দের মূল উপকরণ >>> ধ্বনি
শব্দের ক্ষুদ্রতম একক >>> ধ্বনি
শব্দের ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ অংশ >>> রূপ
বর্ণঃ
ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন >>> বর্ণ
॥॥

বাংলাদেশে মোট উপজাতি বাস করে -৫০টি( সরকারি হিসাব ) আদম শুমারি -২০১১ তে -৪৫টি

 বিষয়: #বাংলাদেশ

. বাংলাদেশে মোট উপজাতি বাস করে -৫০টি( সরকারি হিসাব ) আদম শুমারি -২০১১ তে -৪৫টি
→ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস ১৩ টি(২০১১) ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে ১৪টি
ভাষা ৩২ টি
-
টেকনিকে মনে রাখুন কে কোথায় বাস করে :
১।রংপুরকে "সারাও" = রংপুর এলাকায় ৩টি উপজাতি [সাঁওতাল,রাজবংশী,ওরাঁও]
২।পার্বত্য "তিন জেলাতেই" বাস করে = ত্রিলুচা [ত্রিপুরা,লুসাই,চাকমা]
৩। গহীন অরন্যে বসবাসকারী উপজাতি = বনযোগী [গহীন অরণ্য মানেই তো বন]
৪।ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা এলাকায় = হাহা গারো [হাজং, হাদুই, গারো]
৫।সিলেটে = পাখামনি [পাত্র,খাসিয়া,মনিপুরী]
৬।উপজাতীয় তিনটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান মনে রাখা কঠিন তাই মনে রাখুন = "এবি কেরা ভাই" [একাডেমী -বিরিশিরি, কেন্দ্র - রাঙ্গামাটি, বান্দরবানে - ইনস্টিউট]
৭।উপজাতিদের ভাষা = গামা খাম পাম [গারো - মান্দি, খাসিয়া - মনখেমে, পালি ভাষা - মগদের]
৮।হিন্দু = হাপাতি [হাজং, পাংখোয়া, ত্রিপুরা]
৯।খ্রিস্টান = খাগা [খাসিয়া, গারো] [এরা মাতৃতান্ত্রিক]
১০।খাগড়াছির রাজা = বোমাং [খাবো]
১১। বর্ষবরণ / চৈত্রসংক্রান্তি বিষয়ক অনুষ্ঠান - বৈসাবি ; বৈ - বৈসুক = ত্রিপুরা , সা = সাংগ্রাই = মারমা, বি= বিজু= চাকমা
বাংলাদেশের উপজাতিঃ-
*** বাংলাদেশে মোট উপজাতি বাস করে -==৪৫টি(প্রচলিত তথ্য) বর্তমানে সরকারি হিসাব মতে ৫০টি।
***বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বাস করে===চাকমা উপজাতি
***চাকমা শব্দের অর্থ কি==মানুষ
***চাকমারা কোন ধর্মালম্বী==বৌদ্ধ
**** বাংলাদেশের শিক্ষিত উপজাতি==চাকমা
****চাকমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয় ==বিজু
****ফাল্গুনী পূর্ণিমা’ কাদের ধর্মীয় উৎসব ===চাকমাদের
***চাকমা বিদ্রোহের নায়ক ===জুম্মা খান
***চাকমারা গ্রামকে কি বলে =====আদম।
***চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস >===== ফাবো (২০০৪)।
***বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এথনিক গোষ্ঠী====: চাকমা
***কোনটি জন গোষ্ঠীর প্রধান ধর্মীগ্রন্থ ত্রিপিটক =====: চাকমা
***বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি কোনটি===: চাকমা ( ২ লক্ষ ৫৩ হাজার)
###‪#‎খাসিয়া‬ গ্রামগুলো কি নামে পরিচিত====: পুঞ্জি
##‪#‎রাখাইনদের‬ বড় ধর্মীয় উৎসব======বুদ্ধপূর্ণিমা
### মুরংদের উৎসবের নাম==মুৎসলোং
###‪#‎মুরংদের‬ দেবতার নাম==ওরেং
##‪#‎মুরং‬ উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম===ছিয়াছত
##‪#‎পার্বত্য‬ চট্টগ্রামে প্রাচীন অধিবাসী==মুরং বা ম্রো
###‪#‎ত্রিপুরা‬ উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম===বৈসুক
##‪#‎বাংলাদেশের‬ ত্রিপুরা আদিবাসী গোষ্ঠী যে ধর্মবিশ্বাসের অনুসারী=== সনাতন
###‪#‎মারমা‬ উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম===সাংগ্রাই
###‪#‎খিয়াং‬ উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম===সাংলান
###‪#‎রাখাইন‬ উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম===সান্দ্রে
##‪#‎গারোদের‬ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নাম > ======ওয়ানগালা
##‪#‎উপজাতিদের‬ বর্ষবরণ উৎসব==বৈসাবি
##‪#‎আন্তর্জাতিক‬ আদিবাসী দিবস’== ৯ আগস্টে
##‪#‎কোন‬ উপজাতিদের ভাষা ‘কুরুখ’ নামে পরিচিত – ওরাঁও
##‪#‎বাওয়ালি‬’ কারা? ====== সুন্দরবনের গোলপাতা সংগ্রহকারী
###‪#‎খাগড়াছড়ির‬ আদিবাসী রাজা কোন নামে পরিচিত=== বোমাং রাজা
>>>বাংলাদেশে উপজাতিদের জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আছে==৩টি
>>>ট্রাইবারাল কালচারাল একাডেমি ===দিনাজপুর
>>>ট্রাইবারাল কালচারাল ইনষ্টিটিউট==রাঙ্গামাটি
>>>উপজাতিয় সাংস্কৃতিক একাডেমি ====> ১টি (বিরিশিরি্ নেত্রকোণা)
>>>একমাত্র খেতাপপাপ্ত আধিবাসী মুক্তিযুদ্ধা ==ইউ কে সিং
<><>বাংলাদেশে দ্বিতীয় বসবাসরত বেশি উপজাতি===সাওতাল
<><>সাওতাল বিদ্রোহের নায়ক====দুই ভাই কানু আর সাদু
<><>সাওতাল বিদ্রোহ সংগঠিত হয়==১৮৫৫ সালে
<><>একমাত্র জড় উপাসক উপজাতি–==== সাঁওতাল
<<>>মুসলমান উপজাতি==পাঙ্গন ও লাওরা
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বাস করে - চাকমা উপজাতি
→ ধর্ম বৌদ্ধ
→ শিক্ষার হার সব থেকে বেশি
→ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয় বিজু
→ ফাল্গুনী পূর্ণিমা এদের ধর্মীয় উৎসব
→ চাকমা বিদ্রোহের নায়ক জুম্মা খান
→ এদের গ্রামকে বলা হয় আদম।
→ চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফাবো(২০০৪)
→ প্রধান ধর্মীগ্রন্থ ত্রিপিটক
.
মারমা বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই
→ এক মাত্র খেতাব প্রাপ্ত উপজাতি - ইউ কে সিং মারমা
→ খেতাব - বীর বিক্রম
→ ৬ নং সেক্টর
→ চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস মারমা
→ মগ নামে পরিচিত ছিল, আদি নিবাস আরাকান
→ এর জাতিতে মঙ্গলীয়
রাখাইন বড় ধর্মীয় উৎসব - বুদ্ধপূর্ণিমা
→ বর্ষবরণ উৎসবের নাম সান্দ্রে
→ বসবাস পটুয়াখালী জেলায়
→ মগের বংশধর, যারা সমতলে থাকে
→ আদি নিবাস আরাকান
উৎসবের নাম মুৎসলোং
→ মুরংদের দেবতার নাম ওরেং
→ মুরং উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম ছিয়াছত
→ পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রাচীন অধিবাসী মুরং বা ম্রো
ত্রিপুরা বর্ষবরণ উৎসবের নাম - বৈসুক
→ ত্রিপুরা আদিবাসী গোষ্ঠী সনাতন ধর্মবিশ্বাসের
গারোদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নাম ওয়ানগালা
→ বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি
খাসিয়া গ্রামগুলো পুঞ্জি নামে পরিচিত
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ৯ আগস্টে
‘কুরুখ’ ভাষা যাদের - ওরাঁও
বাওয়ালি - সুন্দরবনের গোলপাতা সংগ্রহকারী
খাগড়াছড়ির আদিবাসী রাজা যে নামে পরিচিত - বোমাং রাজা
মাহাতো জাতি গোষ্ঠীর বসবাস - সিরাজগঞ্জ,নওগাঁ,পাবনা,বগুড়া প্রভৃতি জেলায়।
→ মাহাতোদের গ্রাম প্রধানকে মাহাতোয়া বলে।
মাহাতোদের ভাষার নাম নাগরি/কুরমালী।এই ভাষা পৃথিবী থেকে বিলুপ্তির হুমকিতে।
→ মাহাতোদের ধর্মের নাম - সনাতন।
মাহাতোদের সমাজ ব্যবস্থা - পিতৃপ্রধান।
→ মাহাতোদের প্রধান উৎসব- সহরায় ও কারাম
→ মাহাতো ভাষায় প্রথম উপন্যাস "কারাম"। মাহাতোদের ভাষা সংস্কৃতি নিয়ে উপন্যাসটি লিখেছেন
উজ্জ্বল মাহাতো।
→মাহাতোদের প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ- আঁইন্যাশ।
বাংলাদেশে উপজাতিদের জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান - ৩টি
→ ট্রাইবারাল কালচারাল একাডেমি, দিনাজপুর
→ ট্রাইবারাল কালচারাল ইনষ্টিটিউট, রাঙ্গামাটি
→ উপজাতিয় সাংস্কৃতিক একাডেমি (বিরিশিরি),নেত্রকোণা
বাংলাদেশে দ্বিতীয় বসবাসরত বেশি উপজাতি- সাওতাল
→ সাওতাল বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই কানু আর সাদু
→ সাওতাল বিদ্রোহ সংগঠিত হয় ১৮৫৫ সালে
→ একমাত্র জড় উপাসক উপজাতি সাঁওতাল
D M Yousuf Shanju
মুসলমান উপজাতি - পাঙ্গন ও লাওরা
বাংলাদেশে সংখ্যা সবচেয়ে কম - খুমি ও চক
বাংলাদেশে বসবাস নেই - মাওরী, মোর, পিগমী, জুলু, কুলু, কুর্দি, টোডা, শেরপা প্রভৃতি
-
পিতৃতান্ত্রিক - মারমা ও হাজং
মাতৃতান্ত্রিক - গারো,খাসিয়া ও সাওতাল
উপজাতি নেই যে বিভাগে - খুলনা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হয় - ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
প্রধান উপজাতিরা কে কোন জেলায় বাস করে -
-
※ গারো – ময়মনসিংহ
※ চাকমা – রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি
※ সাঁওতাল – রাজশাহী ও দিনাজপুর
※ রাখাইন – পটুয়াখালী
※ মারমা – Cox’s bazar , বান্দরবান ও পটুয়াখালী
※ হাজং – ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
※ রাজবংশী – রংপুর
※ মাহাতো – সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ।
※ মুরং – বান্দরবানের গভীর অরণ্যে
※ কুকি – সাজেক ভেলী (রাঙ্গামাটি)
※ হুদি – নেত্রকোনা
※ পাংখো – বান্দরবান
※ খাসিয়া, গারো– সিলেট
※ ওরাও – বগুড়া, রংপুর
※ লুসাই – পার্বত্য চট্টগ্রাম
※ খুমি – বান্দরবান

4th Industrial Revolution :

 4th Industrial Revolution :-

The way Bangladesh will be the model of the fourth industrial revolution
The Fourth Industrial Revolution is now a reality. There is no way to deny it anymore. How we feel, how we work, how we live, how we travel — everything will change. The first was the industrial revolution with the steam engine, the second with electricity, the third with the Internet and computers. The fourth industrial revolution is happening through the addition of intelligence to the Internet.
Let's start with an example. A chief executive officer (CEO) of the company can check the weather forecast or traffic jam with Google Assistant or Apple Siri in the morning, go to the office using self-driving car, where robots can greet him, use artificial intelligence to get ideas about the future of business, machine You can design business models using learning, control home electronics and appliances through the Internet of Things, and much more.
Five-G internet is going to be launched in Bangladesh soon. It could revolutionize the business model, quality of life, education, digital and social media that we've been seeing for the last decade. The Fourth Industrial Revolution can only be truly realized through high quality education and research. In many parts of the world, such as the Scandinavian countries are preparing their manpower to take advantage of the Fourth Industrial Revolution (FourIR). That's why these countries have integrated artificial intelligence and robotics into their education, working to lead FourIR to their human resourceful minds from elementary to higher education.
Now let us analyze how Bangladesh can be an emerging role model of the fourth industrial revolution in the world.
First, the foundation of Digital Bangladesh is strong. As a result of the implementation of 'Digital Bangladesh' in the last 13 years, the ICT sector has affected the daily life of the people in almost every sector of the country. The Union Digital Center (UDC) is now being connected via fiber optical cable; Schools are now equipped with the Sheikh Russell Digital Lab; Thousands of interactive content and e-books have been designed and developed; 100 economic zones are being created etc. In this way, Digital Bangladesh has created a suitable platform for launching FourIR in our country.
Second, we are achieving tremendous economic growth. In the fiscal year 2020-21, the per capita income of Bangladesh has increased from 326 dollars to 2 thousand 554 dollars. In November 2021, the UN General Assembly adopted a resolution to upgrade Bangladesh from Least Developed Countries (LDC) category. The government plans to become a rich country by 2041 with a per capita income of হাজার 15,000 and empowering the people equally. The possibility of a fourth industrial revolution should be started without any delay. The size of the country's GDP will increase from today's ৫ 225 billion to ৬ 2.6 trillion in 2041. Now the government can launch a higher education loan program. There should be higher education projects based on taxpayer income and job opportunities, completely free, government subsidies and full fee payments. The government may provide more subsidies for FourIR-related courses and programs.
Third, the proportion of the working age population. Bangladesh ranks 93rd in terms of size. But we are the eighth largest country in the world in terms of population. We now have more working-age people (15-64 years) than ever before. It is now 6 percent and by 2030 it will be 60 percent. It is true that many jobs will be lost due to the advent of the Fourth Industrial Revolution. But more and more new jobs will be created. So if this large population can be transformed into a skilled workforce for FourIR, it will further strengthen our ongoing economic and social development.
Fourth, the spread of blended, online and digital education. Blended learning can be a good solution for the inclusive development of Bangladesh by connecting high-tech, low-tech and technology-less people across the country. The UGC has recently approved the National Blended Learning Policy 2021 in principle and now the government is extending it from pre-primary to postgraduate. The next step is online digital education. Bangladesh has yet to make its presence felt in the global online education industry, which could be valued at ৭ 365 billion by 2026. It could easily become the third highest source of income after remittances and readymade garments, if FourIR technology can be effectively integrated with the education system.
Fifth, increasing the trend of applied research and innovation. Although our university's ranking in various global indices is not so good, we are making progress in agriculture, automation, freelancing, SME sector, women's empowerment, poverty alleviation, etc. The government has in recent years been allocating more funds for research and innovation related to the Third and Fourth Industrial Revolution through its various departments.
Sixth, the emphasis on technical education. The এসে 300 million Asset Strengthening Skills for Accelerated and Economic Transformation project will create the skills needed for the future work of more than 1 million young people and workers. There will be one technical school and college in each upazila and initiative is being taken to establish upazila ICT training and resource center for education. Graduates in technical education do not have to wait for jobs; Rather they create job opportunities for others.
Lastly, realize the importance of the industry-academy connection. Nearly two million new entrants join the workforce each year, but still 37.6 percent of graduates point to a disparity in skills. As a result, foreigners dominate our job market at the technical and managerial levels in various industries, corporate entities and multinational companies. According to the National Skills Development Authority, this trend draws ছয় 6 billion in remittances from Bangladesh every year. Now the government has misunderstood this and has emphasized on need based curriculum, outcome based education, internship programs at different levels etc.
Future jobs will be things that machines can't do, as well as creative endeavors, areas like social interaction where people can lose machines, areas that will be open to job creation. Now our policy makers should reconsider education policy by prioritizing research and innovation related to the Fourth Industrial Revolution, so that we can survive as a competitive, innovative and efficient country globally. So let's invent, not imitate.

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ২৪৫টি বাগধারা। বাগধারার গণ্ডি বেশ বিস্তৃত তাই বার বার রিভিশন দিবেন..

 বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ২৪৫টি বাগধারা। বাগধারার গণ্ডি বেশ বিস্তৃত তাই বার বার রিভিশন দিবেন.....

1.অগত্যা মধুসূদন – অনন্যোপায় হয়ে। [কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১৪]
2. অজগর বৃত্তি – আলসেমি। [ Sonali Bank – 2016 ]
3. অপোগণ্ড – অকর্মণ্য, অপ্রাপ্ত বয়স্ক, নাবালক। [জীবন বীমা কর্পোরেশন – ২০১৪]
4. অবরে সবরে – কালে -ভদ্রে। [মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে – ২০১৬]
5. অজগর বৃত্তি – আলসেমি। [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৪]
6. অশ্বমেধ যজ্ঞ – বিপুল আয়োজন। [ডাক বিভাগ -২০১৫, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড – ২০১৭]
7. অচলায়তন – গোরামিপূর্ণ [Modhumoti Bank – 2018]
8. অষ্টরম্ভা – কাঁচকলা, ফাঁকি, কিছুই না। [প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর – ২০১৫, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো – ২০১৬]
9. অক্ষয় বট – প্রাচীন ব্যক্তি।
10. অকাল কুষ্মাণ্ড – অপদার্থ।
11. অকালের বাদলা -অপ্রত্যাশিত বাধা। [স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় – ২০১৬], [পিকেএসএফ – ২০১৫]
12. অক্ষরে অক্ষরে -সম্পূর্ণভাবে।
13. অষ্টবজ্র সম্মিলন -প্রতিভাবান ব্যক্তিদের একত্র সমাবেশ
14. অলক্ষ্মীর দশা -দারিদ্র্য
15. অক্ষয়ভাণ্ডার -যে ভাণ্ডারের ধন কখনো ফুরায় না [জনতা ব্যাংক – ২০১৮]
16. অগ্নিগর্ভ -বলিষ্ঠ
17. অঞ্চলের নিধি – যে সম্পদ আঁচলে ঢেকে সুরক্ষিত রাখতে হয়/সনত্মান
18. অন্ধিসন্ধি -ফাঁকফোকর/গোপন তথ্য
19. আঠারো মাসে বছর – দীর্ঘসূত্রিতা।
20. আঁটকুড়ো – নিঃসনত্মান।
21. আমড়া কাঠের ঢেঁকি-অকেজো লোক/অকর্মণ্য। [Standard Bank – 2018]
22. আসরে নামা -আবির্ভূত হওয়া।
23. আধা খেঁচড়া -বিশৃঙ্খলা [BASIC Bank – 2018]
24. আঁচা-আঁচি -পরস্পরের মনের ভাব
25. আগলদার -জমির ফসল আগলানোর বা পাহারা দেয়ার জন্য নিযুক্ত লোক [NGO,Public Jobs- 2015]
26. আদিখ্যেতা – ন্যাকামি
27. আস্ত কেউটে – অত্যন্ত বিপজ্জনক লোক [অগ্রনী ব্যাংক – ২০১৭, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৬]
28. ইলশে গুঁড়ি – গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।
29. ইয়ারবকসি – বন্ধুবান্ধব
30. ইল্লতে কাণ্ড – নোংরা ব্যাপার / নোংরা কাণ্ড [মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রণালয় – ২০১৭]
31. ইতুনিদকুঁড়ে – অলস: দীর্ঘসূত্রীতা
32. উলুখাগড়া – গুরুত্বহীন লোক।
33. উজানের কৈ – সহজলভ্য।
34. উপোসি ছারপোকা – অভাবগ্রস্থ লোক।
35. উপরোধের ঢেঁকি গেলা – অন্যায় আবদার করা
36. উদোমারা – বোকা।
37. উটকো লোক – অচেনা লোক/হঠাৎ অবাঞ্ছিতভাবে এসে [স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় – ২০১৬], [পিকেএসএফ – ২০১৫]
38. ঊনকোটি চোষট্টি – প্রায় সম্পূর্ণ।
39. ঊনপাঁজুরে – অপদার্থ।
40. ঊরুস্তম্ভ – ফোঁড়া জাতীয় রোগ [Probashi Kallyan Bank – 2015]
41. ঊর্মিমালী – সমুদ্র
42. এলেবেলে – নিকৃষ্ট।
43. এক ছাঁচে ঢালা – সাদৃশ্য।
44. একাদশ বৃহস্পতি – মহাসৌভাগ্য/ সৌভাগ্যের লক্ষণ।
45. একা দোকা – নিঃসঙ্গ
46. ওষুধে ধরা – প্রার্থিত ফল পাওয়া।
47. ওষুধ করা – গুণ করা। [NGO,Public Jobs- 2015]
48. ওষুধ পড়া – সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া।
49. কচ্ছপের কামড় – যা সহজে ছাড়ে না।
50. কলমি কাপ্তেন – দরিদ্র কিন্তু বিলাসী। [পিকেএসএফ – ২০১৮]
51. কাক ভূষণ্ডি – সম্পূর্ণ ভেজা।
52. কাটনার কড়ি – উপার্জন সামান্য।
53. কায়েতের ঘরের ঢেঁকি – অপদার্থ লোক। [মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে – ২০১৬]
54. কিম্ভূতকিমার – অদ্ভুত ও কুৎসিত।
55. কাগুজে বাঘ – মিথ্যা জুজু।
56. কাঁঠালের আমসত্ত্ব – অলীক বস্তু।
57. কুমিরের সান্নিপাত – অসম্ভব ব্যাপার। [ Sonali Bank – 2016 ]
58. কূপমণ্ডুক – ঘরকুনো / সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন। [বন অধিদপ্তরের – ২০১৪], [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]
59. কেউ কেটা – সামান্য।
60. কেঁচো গণ্ডূষ – গোড়া থেকে শুরু।
61. কলির সন্ধ্যা – দৌরাত্ম্যের শুরু।
62. কূর্ম অবতার – অলস।
63. কুনো ব্যাঙ – সীমিত জ্ঞান
64. কুম্ভীরাশ্রু – লোক দেখানো কান্না/নকল সমবেদনা [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৫]
65. খামকাজ – ভুলকাজ। [Private Sector – 2017]
66. খাবি খাওয়া – ছটফট করা।
67. খুঁটে খাওয়া – ¯ সাবলম্ভি হওয়া।
68. গয়ংগচ্ছ – ঢিলেমি।
69. গোকুলের ষাঁড় – স্বেচ্ছাচারী [রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো – ২০১৭]
70. গণ্ডগ্রাম – বড়গ্রাম।
71. গোঁয়ার গোবিন্দ – কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষ
72. গলগ্রহ – পরের বোঝা হয়ে থাকা [মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রণালয় – ২০১৭]
73. ঘাড়ে গর্দানে – অত্যনত্ম মোটা। [জীবন বীমা কর্পোরেশন – ২০১৪]
74. ঘাড়ার কামড় – দৃঢ় পণ।
75. ঘটিরাম – অপদার্থ[পল্লী বিকাশ কেন্দ্র – ২০১৬, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৭]
76. চক্ষুদান করা – চুরি করা।
77. চডুই পাখির প্রাণ – ক্ষীণজীবী লোক। [Modhumoti Bank – 2018]
78. চতুর্ভুজ হওয়া – উৎফুল্ল হওয়া।
79. চাঁদের হাট – ধনেজনে পরিপূর্ণ সংসার।
80. চাঁদ-কপালে – ভাগ্যবান।
81. চোখের চামড়া / পর্দা – চক্ষুলজ্জা।
82. চক্ষের পুতলি – আদরের ধন।
83. চর্বিত চর্বণ – পুনরাবৃত্তি।
84. ঢাকের বাঁয়া – অপ্রয়োজনীয়।
85. চোরাবালি – প্রচ্ছন্ন আকর্ষণ
86. ছামনি নাড়া – দৃষ্টি বিনিময়। [মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে – ২০১৬]
87. ছাঁদনা তলা – বিবাহের মণ্ডপ।
88. ছক্কা-পাঞ্জা – ইতঃস্তত করা/ বড় বড় কথা বলা। [Private Sector – 2017]
89. ছাঁদাবাঁধা – পুজোরপর বা ভোজবাড়ি থেকে ফেরার সময় চাঁদর বা গামছায় খাবার বেঁধে নেয়া
90. জগদ্দল পাথর – গুরুভার।
91. জেলঘুঘু – যে ব্যক্তি বারবার জেল খাটে
92. ঝাঁকের কৈ – এক দলভুক্ত।
93. ঝাড়ে বংশে – সবশুদ্ধ।
94. টুপ ভুজঙ্গ – নেশায় বিভোর।
95. টেণ্ডাই মেণ্ডাই – আস্ফালন।
96. টেঁকে গোঁজা – আত্মসাৎ করা। [জনতা ব্যাংক – ২০১৮]
97. ঠাটঠমক – হাবভাব, চালচলন [ডাক বিভাগ -২০১৫, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড – ২০১৭]
98. ডুমুরের ফুল – অদর্শনীয়। [NGO,Public Jobs- 2015]
99. ডামাডোল – গোলযোগ।
100. ডাকাবুকো – দুঃসাহসী
101. ঢেঁকির কুমির – অপদার্থ। [Standard Bank – 2018]
102. ঢেঁকি অবতার – নির্বোধ লোক। [Modhumoti Bank – 2018]
103. ঢেঁকির কচকচি – বিরক্তিকর কথা।
104. ঢাকের কাঠি – তোষামুদে।
105. ঢাকের বায়া – অপ্রয়োজনীয়। [Probashi Kallyan Bank – 2017]
106. ঢুলুঢুলু – তন্দ্রালুতা
107. তামার বিষ – অর্থের কুপ্রভাব। [BASIC Bank – 2015]
108. নবমীর পাঁঠা – প্রাণ ভয়ে ভীত ব্যক্তি।
109. তাসের ঘর – ক্ষণস্থায়ী।
110. তেল নুন লকড়ি – মৌলিক প্রয়োজন।
111. তীর্থের কাক – প্রতীক্ষারত।
112. তুর্কি নাচন – নাজেহাল অবস্থা। [মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে – ২০১৬]
113. তুলসী বনের বাঘ – সুবেশে দুর্বৃত্ত।
114. ত্রাহি ত্রাহি – পরিত্রাণ কর বলে চিৎকার
115. তরবেতর – নানারকম
116. থাউকি বেলা – বিকালবেলা
117. দড়ি কলসি – আত্মহত্যার উপায়।
118. দোজবরে – দ্বিতীয়বার যে ছেলে বিয়ে করতে চায়। [বন অধিদপ্তরের – ২০১৪], [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]
119. দড়বড়ে – তাড়াহুড়ো
120. দবকানো – ওপরে ভার চাপানো/উপর থেকে চাপ দেয়া [অগ্রনী ব্যাংক – ২০১৭, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৬]
121. দশবাই চণ্ডী – অত্যনত্ম রাগী স্ত্রীলোক [BB Combined Exam– 2017]
122. দাঁদুড়ে – অত্যন্ত/দুর্দান্ত
123. দাতাকর্ণ – অত্যন্ত উদার ও দানশীল [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে – ২০১৪, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]
124. দায়-দৈব – ছোট বড় সমস্যা
125. দেবদ্বিজ মানা – ধর্মে বিশ্বাস থাকা [পল্লী বিকাশ কেন্দ্র – ২০১৬, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৭]
126. দোপড়া – এক জায়গায় বিয়ে স্থির হওয়ার পরে কিংবা
127. দক্ষযজ্ঞ ব্যাপার – বিরাট সমারোহ
128. ধর্মের কল – সত্য।
129. ধামাধরা – তোষামোদকারী।
130. ধোপে টেকা – পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। [Standard Bank – 2017]
131. ধোপার গাধা – পরের জন্য খাটা।
132. ধর্মের ষাঁড় – যথেচ্ছাচারী।
133. ধিনিকেষ্ট – দায়িত্বপালনহীন ব্যক্তি
134. ধোঁকার টাটি – প্রতারণার উপরের আবরণ ,[Modhumoti Bank – 2018]
135. ধোপার গাধা – ভারবাহী [পিকেএসএফ – ২০১৮]
136. ধড়িবাজ – ধূর্ত ও ফন্দিবাজ
137. ধোপার ভাঁড়ার – প্রচুর জিনিসপত্র যা ব্যবহার করা যাবে না
138. নয়-দুয়ারি – দ্বারে দ্বারে।
139. নারদের ঢেঁকি – বিবাদের বিষয়।
140. নগদ নারায়ণ – নগদ অর্থ।
141. নিরানবক্ষইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি, টাকা জমানোর প্রবৃত্তি।
142. ননির পুতুল – সহজে কাতর, আদরে দুলাল। [যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের – ২০১৬] [জীবন বীমা কর্পোরেশনে – ২০১৪]
143. নন্দভৃঙ্গী – অত্যন্ত আদুরে, অকর্মণ্য
144. ননদী ভুলী – কুকর্মের সঙ্গী
145. নব কার্তিক – সুদর্শন কিছু অকর্মণ্য ব্যক্তি
146. ন্যালাখ্যাপা – পাগলাটে
147. নবমীর পাঁঠা – প্রাণভয়ে ভীত ব্যক্তি
148. পঞ্চত্ব প্রাপ্ত – মারা যাওয়া।
149. পায়াভারি – অহংকার। [Private Sector – 2017]
150. পটের বিবি – সুসজ্জিত।
151. পালের গোদা – দলপতি।
152. পগারপার – পালানো।
153. পাণ্ডববর্জিত – সভ্য লোকের বাসের অযোগ্য। [জনতা ব্যাংক – ২০১৫]
154. পত্রপাঠ – তৎক্ষণাৎ।
155. পয়মন্ত – সুলক্ষণযুক্ত
156. পালপাল – প্রচুর সংখ্যক [Standard Bank – 2017]
157. পিণিগেলা – অনিচ্ছায় বা ঘৃণায় কোনো রকমে খাওয়া
158. বচনবাগীশ – কথায় পটু। [Private Sector – 2017]
159. ফোঁস মনসা – ক্রোধী লোক।
160. ফুসমনত্মর – ফাঁকির মন্ত্র
161. ফোঁপরা – বাজে, অকেজো
162. বামনের গরু – যে অল্প পারিশ্রমিকে বেশি কাজ করে। [বন অধিদপ্তরের – ২০১৪], #বাগধারা
163. বিদুরের খুদ – শ্রদ্ধার সামান্য উপহার।
164. বিড়াল তপস্বী – ভণ্ড লোক।
165. ব্যাঙের আধুলি – সামান্য পুঁজি হলেও যা গর্বের। [পল্লী বিকাশ কেন্দ্র – ২০১৬, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-২০১৭]
166. ব্যাঙের লাথি – নগণ্য লোকের দ্বারা অপমান। [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে – ২০১৪, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]
167. ব্যাঙের সর্দি – অসম্ভব ব্যাপার। [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬ , কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১২]
168. বাস্তু ঘুঘু – প্রচ্ছন্ন শয়তান।
169. বচনাবাগীশ – কেবল কথায় পটু
170. বিষের পুটুঁলি – বিদ্বেষী
171. বারো ভূত – অনাত্মীয় লোকজন [ভূমি অফিস – ২০১৫] , [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৬]
172. বাপানত্ম করা – গালাগালি দেয়া
173. বারফট্টাই – বড়াই
174. বিশ বাও জল – ভীষণ বিপাক
175. ভেরেণ্ডা ভাজা – অকাজে সময় নষ্ট করা/ বেকার জীবন যাপন করা।
176. ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা – অনড় সংকল্প।
177. ভূষণ্ডির কাক – বিচক্ষন ব্যক্তি/দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি।
178. ভানুমতীর খেল – অবিশ্বাস্য ব্যাপার।
179. ভূঁই ফোড় – নতুন আগমন।
180. ভুঁইফোঁড় – অর্বাচীন।
181. মণিহারা ফণী – প্রিয়জনের জন্য অস্থির লোক। [ভুমি মন্ত্রণালয় – ২০১৭, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর – ২০১৫]
182. ম্যাও ধরা – দায়িত্ব নেওয়া।
183. যশুরে কই – যে ব্যক্তির মাথাটা মোটা কিন্তু শরীর শীর্ণ
184. রাশভারি – গম্ভীর প্রকৃতির। [BB Combined Exam– 2017]
185. রামগরুড়ের ছানা – গোমড়ামুখো লোক। [NGO,Public Jobs- 2015]
186. রাবণের চিতা – চির অশান্তি।
187. রায়বাগিণী – উগ্রচণ্ডা নারী, দজ্জাল স্ত্রীলোক
188.লম্বাদেয়া – পালানো।
189. লেজে খেলা – ছলনা করা/চাতুরি দ্বারা কষ্ট দেয়া।
190. লোহার কার্তিক – কালো কুৎসিত লোক
191. শর্বরীর প্রতীক্ষা – দীর্ঘকাল ধরে প্রতীক্ষা।
192. শিবরাত্রির সলতে – একমাত্র বংশধর/সন্তান। [BASIC Bank – 2014]
193. শুয়োরের গোঁ – ভয়ানক।
194. শরতের শিশির-ক্ষণস্থায়ী (যদি না থাকে তবে
হবে-সুসময়ের বন্ধু)
195. শাঁখের করাত – উভয় সংকট।
196. শিকে ছেঁড়া – হঠাৎ সৌভাগ্যের উদয় হওয়া
197. সাতকাহন – প্রচুর পরিমাণ।
198. সরফরাজি করা – প্রভাব খাটানোর চেষ্টা/ অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি।
199. স্বখাত সলিলে – স্বীয় কর্মে ফল ভোগ/ঘোর বিপদে নিপতিত।
200. সাতকাণ্ড রামায়ণ – মস্তবড় ব্যাপার
201. সোঁতের শেওলা – নিরাশ্রয় ও সহায় সম্বলহীন লোক [খাদ্য অধিদপ্তর – ২০১৫]
202. ষাঁড়ের গোবর – অপদার্থ লোক/অযোগ্য। [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৬]
203. ষত্ব ণত্ব জ্ঞান – কাণ্ডজ্ঞান।
204. ষণ্ডামার্কা – গুণ্ডা বা বাজে ধরনের লোক।
205. হ্রস্বদীর্ঘ জ্ঞান – কাণ্ড জ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান।
206. হাত ধরা – অনুরোধ করা।
207. হাড় হদ্দ – নাড়ী নক্ষত্র।
208. হাড়ির হাল – দুর্দশার একশেষ। [ভুমি মন্ত্রণালয় – ২০১৭, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর – ২০১৫]
209. হাত পাকান – দক্ষতা
210. হাড় জুড়ানো – শান্তি পাওয়া
211. হাঁড়ির হাল – মলিন
212. রসাতলে গমন- অধঃপাতে যাওয়া। [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬ , কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১২]
213. পৃষ্ঠপ্রদর্শন- পালানো।
214. ঊনপঞ্চাশের বায়ু- পাগলামী
215. একচোঁখা- পক্ষাপাতিত্বপূর্ণ
216. কাষ্ঠহাসি- কপট হাসি
217. ওঁৎপাতা- সুযোগের প্রতীক্ষায় থাকা
218. এক গোয়ালের গরু- একই স্বভাবের লোক [কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১৪]
219. কুলকাঠের অঙ্গার- তীব্র জ্বালা
220. ক. অংশ- বর্ণপরিচয়হীন
221. কেতাদুরস্ত – চৌকস
222. খয়ের খাঁ- তোষামোদকারী [রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো – ২০১৭]
223. খাদানাকে তিলক- অশোভন সাজসজ্জা
224. খাটো করা- মর্যাদা না দেওয়া [Private Sector – 2017]
225. গোঁফখেজুরে-অলস [Probashi Kallyan Bank – 2018]
226. গৌড়চন্দ্রিকা- ভূমিকা
227. গঙ্গাজলে গঙ্গাপূজা- তুষ্ঠি সাধন [BB Combined Exam– 2017]
228. টাইটম্বর- ভরপুর
229. ঠোঁটকাটা- স্পষ্টভাষী
230. ঠুটো জগন্নাথ- অকর্মন্য ব্যক্তি
231. ঠান্ডা লড়াই- দুরভিসন্ধি করা
232. তাল পাতার সোপাই-কঙ্কালসার দেহ [যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় – ২০১৬] [জীবন বীমা কর্পোরেশন – ২০১৪]
233. তুবড়ি ছোটা- বেশি কথা বলা [বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক – ২০১৭]
234. ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির- ধার্মিক
235. বাপের ঠাকুর- শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি [ভূমি অফিস – ২০১৫]
236. বাঘের মাসি- নির্ভীক
237. ভানুমতির খেলা- কেরামতি [স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় – ২০১৬], [পিকেএসএফ – ২০১৫]
238. ঘোড়ার রোগ – বাতিক [NGO,Public Jobs- 2015]
239. ঘরপোড়া গরু- বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা [পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর – ২০১৪, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬]
240. চোরাবালি- প্রচ্ছন্ন আকর্ষণ
241. চোখের বালি- অপ্রিয়
242. ছুচোর কেত্তন- কলহ [মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর – ২০১৬ , কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর – ২০১২]
243. ঢি ঢি পড়া- কলঙ্ক
244. টিমে তেতলা- মন্থর গতি
245. ফোড়ন দেওয়া- খোঁচা দেওয়া।

পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ও রহস্যজনক ঘটনার বিবরণ

পৃথিবীর বুকে যুগ যুগ ধরে এমন অনেক ঘটনা ঘটে গেছে, যার পেছনের প্রকৃত সত্য বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আজও পুরোপুরি উদ্ঘাটিত হয়নি। মানুষের কৌতূহল আর ...