মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পরিধি অত্যন্ত বিশাল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা (যেমন বিসিএস বা ব্যাংক জব) এবং সাধারণ জ্ঞানের জন্য সহায়ক এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিচে বিষয়ভিত্তিক ও ধারাবাহিকভাবে সাজানো হলো:


অংশ ১: প্রাচীন ও মধ্যযুগ

১. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কোনটি? উত্তর: চর্যাপদ। এটি ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কার করেন।

২. 'চর্যাপদ' কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য? উত্তর: বৌদ্ধ সহজিয়াদের। এটি মূলত সাধন সংগীত।

৩. বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয় কোন সময়কে? উত্তর: ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত সময়কে। এই সময়ে উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্য সৃষ্টি হয়নি বলে ধারণা করা হয়।

৪. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা কে? উত্তর: বড়ু চণ্ডীদাস। এটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার এক গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন।

৫. মঙ্গলকাব্য ধারার প্রধান শাখা কয়টি? উত্তর: তিনটি। মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও অন্নদামঙ্গল।

৬. 'মনসামঙ্গল' কাব্যের আদি কবি কে? উত্তর: কানা হরিদত্ত। তবে বিজয়গুপ্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি।

৭. 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা কে? উত্তর: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তিনি মধ্যযুগের শেষ বড় কবি।

৮. আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য কবি কারা? উত্তর: আলাওল ও দৌলত কাজী। আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাজ 'পদ্মাবতী'।

৯. মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে 'রামায়ণ' প্রথম বাংলায় কে অনুবাদ করেন? উত্তর: কৃত্তিবাস ওঝা।

১০. 'মৈমনসিংহ গীতিকা'র সংগ্রাহক কে? উত্তর: চন্দ্রকুমার দে। এটি সম্পাদনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন।


অংশ ২: আধুনিক যুগ (উনিশ শতক)

১১. বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে? উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন ব্যবহার করেন।

১২. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? উত্তর: ১৮০০ সালে। বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৮০১ সালে।

১৩. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস কোনটি? উত্তর: 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)। লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

১৪. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক কোনটি? উত্তর: 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯)। লেখক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

১৫. বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী বা আধুনিক কবি কে? উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন।

১৬. 'মেঘনাদবধ কাব্য' কত সালে প্রকাশিত হয়? উত্তর: ১৮৬১ সালে। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।

১৭. নীলদর্পণ নাটকটি কার লেখা? এটি কেন বিখ্যাত? উত্তর: দীনবন্ধু মিত্র। নীলচাষীদের ওপর ইংরেজদের অত্যাচারের কাহিনী নিয়ে এটি রচিত।

১৮. 'প্যারীচাঁদ মিত্র' ছদ্মনামে কে লিখতেন? উত্তর: টেকচাঁদ ঠাকুর। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'।

১৯. মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক কে? উত্তর: মীর মশাররফ হোসেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'বিষাদ সিন্ধু'।

২০. বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধি কে দিয়েছিলেন? উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিহারীলাল আধুনিক গীতি কবিতার জনক।


অংশ ৩: রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল (বিংশ শতাব্দী)

২১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার পান? উত্তর: ১৯১৩ সালে, 'গীতাঞ্জলি' (Song Offerings) কাব্যের জন্য।

২২. রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি? উত্তর: 'কবি কাহিনী'।

২৩. রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনাম কী ছিল? উত্তর: ভানুসিংহ ঠাকুর।

২৪. 'বিদ্রোহী' কবিতাটি নজরুলের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত? উত্তর: 'অগ্নিবীণা' (১৯২২)।

২৫. কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয় কত সালে? উত্তর: ১৯৭২ সালে (তাঁকে ভারত থেকে বাংলাদেশে আনার পর)।

২৬. নজরুল সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী? উত্তর: ধূমকেতু, লাঙল এবং নবযুগ।

২৭. রবীন্দ্রনাথের কোন উপন্যাসটি রাজনৈতিক ভাবধারার? উত্তর: গোরা ও ঘরে-বাইরে।

২৮. নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি? উত্তর: 'ব্যথার দান' (গল্পগ্রন্থ)।

২৯. 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথের কোন ধরনের রচনা? উত্তর: এটি একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।

৩০. 'সঞ্চিতা' ও 'সঞ্চয়িতা' কার রচনা? উত্তর: 'সঞ্চিতা' নজরুলের কাব্য সংকলন এবং 'সঞ্চয়িতা' রবীন্দ্রনাথের কাব্য সংকলন।

Mpintu



 

গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র তুলনামূলক পার্থক্য

গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র হলো দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আদর্শ। গণতন্ত্র মূলত রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং নাগরিকের অধিকারের ওপর জোর দেয়, অন্যদিকে সমাজতন্ত্র অর্থনৈতিক সাম্য এবং সম্পদের সুষম বণ্টনের ওপর গুরুত্ব দেয়।

নিচে এদের বিস্তারিত তুলনামূলক পার্থক্য তুলে ধরা হলো:


১. মূল দর্শন (Core Philosophy)

  • গণতন্ত্র: এর মূল ভিত্তি হলো ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং জনমত। এখানে সরকার জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য এবং জনগণের সরাসরি বা পরোক্ষ অংশগ্রহণে পরিচালিত হয়।

  • সমাজতন্ত্র: এর মূল লক্ষ্য হলো শ্রেণিবৈষম্য দূর করে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠন করা। এখানে ব্যক্তিগত লাভের চেয়ে সামাজিক কল্যাণকে বড় করে দেখা হয়।

২. মালিকানা ও অর্থনীতি (Ownership & Economy)

  • গণতন্ত্র: সাধারণত পুঁজিবাদী (Capitalist) অর্থনীতি সমর্থন করে। এখানে উৎপাদনের উপাদানের ওপর ব্যক্তিগত মালিকানা থাকে এবং মুক্ত বাজার ব্যবস্থা প্রচলিত।

  • সমাজতন্ত্র: উৎপাদনের উপকরণগুলোর ওপর রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক মালিকানা থাকে। ব্যক্তিগত মালিকানা সীমিত থাকে এবং রাষ্ট্র সম্পদ বণ্টনের নিয়ন্ত্রণ হাতে রাখে।

৩. রাজনৈতিক ব্যবস্থা (Political System)

  • গণতন্ত্র: এখানে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা থাকে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তিত হয়। মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে।

  • সমাজতন্ত্র: ঐতিহাসিকভাবে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একক দলীয় শাসন বা সীমিত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রবণতা দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় আদর্শের বাইরে ভিন্ন মতপ্রকাশের সুযোগ এখানে অনেক ক্ষেত্রে সীমিত থাকে।

৪. নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতা (Rights & Liberty)

  • গণতন্ত্র: ব্যক্তিগত অধিকার, বাক-স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন এখানে প্রধান। ব্যক্তি কী খাবে, কোথায় কাজ করবে বা কী ব্যবসা করবে—সে বিষয়ে সে স্বাধীন।

  • সমাজতন্ত্র: এখানে ব্যষ্টিক স্বাধীনতার চেয়ে সমষ্টিগত স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে ব্যক্তিগত কিছু অধিকার সংকুচিত হতে পারে, যাতে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়।

৫. লক্ষ্য (Objective)

  • গণতন্ত্র: একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

  • সমাজতন্ত্র: দারিদ্র্য দূর করা এবং ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান কমিয়ে একটি সাম্যের সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।


গণতন্ত্র বনাম সমাজতন্ত্র: একনজরে পার্থক্য

বৈশিষ্ট্যগণতন্ত্র (Democracy)সমাজতন্ত্র (Socialism)
সিদ্ধান্ত গ্রহণজনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নেন।রাষ্ট্র বা কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়।
সম্পদ বণ্টনবাজার চাহিদা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়।প্রয়োজন ও সমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র বণ্টন করে।
ব্যক্তিগত সম্পত্তিঅবারিত সুযোগ থাকে।সীমিত বা নিষিদ্ধ হতে পারে।
প্রতিযোগিতাব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকে।প্রতিযোগিতার চেয়ে সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সরকার পরিবর্তনব্যালট বা নির্বাচনের মাধ্যমে সম্ভব।অনেক সময় বিপ্লব বা দীর্ঘমেয়াদী শাসন চলে।


 

বিশেষ দ্রষ্টব্য: বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ একদম বিশুদ্ধ গণতন্ত্র বা বিশুদ্ধ সমাজতন্ত্র অনুসরণ করে না। বরং অনেক দেশে 'গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র' (Democratic Socialism) বা 'মিশ্র অর্থনীতি' দেখা যায়, যেখানে রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিকভাবে সমাজতান্ত্রিক কিছু কল্যাণমূলক নীতি (যেমন: ফ্রি চিকিৎসা, শিক্ষা) বজায় রাখা হয়। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো (নরওয়ে, সুইডেন) এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।


Preposition Of এবং Off এর ব্যবহার

বাংলা ব্যাকরণে 'Of' এবং 'Off' শব্দ দুটি শুনতে অনেকটা একরকম হলেও এদের অর্থ এবং ব্যবহার সম্পূর্ণ ভিন্ন। নিচে এদের মূল পার্থক্যগুলো সহজভাবে আলোচনা করা হলো:


১. Of (এর)

'Of' সাধারণত সম্পর্ক, মালিকানা বা উপাদান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এর বাংলা অর্থ অধিকাংশ সময় "এর" মতো হয়।

  • মালিকানা বোঝাতে: The color of the sky (আকাশের রঙ)।

  • উপাদান বোঝাতে: This table is made of wood (এই টেবিলটি কাঠের তৈরি)।

  • পরিমাণ বোঝাতে: A glass of water (এক গ্লাস পানি)।

  • সম্পর্ক বোঝাতে: He is a friend of mine (সে আমার একজন বন্ধু)।

২. Off (দূরে, বিচ্ছিন্ন বা বন্ধ)

'Off' সাধারণত বিচ্ছিন্ন হওয়া, দূরত্ব তৈরি হওয়া বা কোনো কিছু বন্ধ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত গতির দিক বা অবস্থার পরিবর্তন নির্দেশ করে।

  • বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে: He jumped off the bridge (সে ব্রিজ থেকে লাফিয়ে পড়ল—অর্থাৎ ব্রিজের সাথে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলো)।

  • বন্ধ করা বোঝাতে: Turn off the light (লাইটটি বন্ধ করো)।

  • দূরে থাকা বোঝাতে: Keep off the grass (ঘাস থেকে দূরে থাকো)।

  • ছুটি বা বিরতি বোঝাতে: I have a day off tomorrow (আগামীকাল আমার ছুটি)।



প্রধান পার্থক্যসমূহ একনজরে

বৈশিষ্ট্যOfOff
মূল অর্থসম্পর্ক বা অধিকার (Possession)বিচ্ছিন্নতা বা বন্ধ (Separation/Closure)
বাংলা অর্থএর, মধ্য দিয়ে, দিয়েথেকে দূরে, বন্ধ, বিচ্ছিন্ন
উদাহরণ ১A member of the team.He fell off the team.
উদাহরণ ২The smell of flowers.Take your hat off.

শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬

পিএলসি (PLC) বা Programmable Logic Controller -এর ওপর ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তার উত্তর

পিএলসি (PLC) বা Programmable Logic Controller ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশনের প্রাণ। নিচে পিএলসি-র ওপর ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সেগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ উত্তর দেওয়া হলো যা টেকনিক্যাল ইন্টারভিউ, ভাইভা বা একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হবে।



১. PLC এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: Programmable Logic Controller। এটি একটি ডিজিটাল কম্পিউটার যা শিল্প কারখানায় ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২. PLC কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: ডিক মর্লি (Dick Morley)। ১৯৬৮ সালে তিনি প্রথম পিএলসি (Modicon 084) উদ্ভাবন করেন।
৩. PLC এবং সাধারণ কম্পিউটারের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: সাধারণ কম্পিউটার ডেটা প্রসেসিং ও বিনোদনের জন্য, আর PLC কঠোর শিল্প পরিবেশ (ধুলোবালি, তাপ, কম্পন) সহ্য করতে পারে এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোলের জন্য তৈরি।
৪. PLC এর প্রধান অংশগুলো কী কী?
উত্তর: CPU, ইনপুট মডিউল, আউটপুট মডিউল, পাওয়ার সাপ্লাই এবং প্রোগ্রামিং ডিভাইস।
৫. PLC কেন রিলে লজিকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: রিলে লজিকে ওয়্যারিং পরিবর্তন করা কঠিন এবং অনেক জায়গার প্রয়োজন হয়। PLC-তে শুধু সফটওয়্যার পরিবর্তন করলেই লজিক পরিবর্তন করা যায়।
৬. CPU এর কাজ কী?
উত্তর: এটি ইনপুট ডেটা পড়ে, মেমোরিতে থাকা প্রোগ্রাম রান করে এবং সেই অনুযায়ী আউটপুটকে নির্দেশ দেয়।
৭. পাওয়ার সাপ্লাই মডিউল কেন দরকার?
উত্তর: এটি সাধারণত ২৩০V AC-কে ২৪V DC-তে রূপান্তর করে PLC-র অভ্যন্তরীণ সার্কিট চালানোর জন্য।
৮. ডিজিটাল ইনপুট বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যে ইনপুট সিগন্যাল শুধুমাত্র দুটি অবস্থায় থাকে (On/Off বা ১/০)। যেমন: পুশ বাটন, লিমিট সুইচ।
৯. অ্যানালগ ইনপুট কী?
উত্তর: যে ইনপুট সিগন্যাল সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। যেমন: টেম্পারেচার সেন্সর (০-১০V বা ৪-২০mA)।
১০. ফিক্সড পিএলসি (Fixed PLC) কী?
উত্তর: এতে ইনপুট, আউটপুট এবং CPU একটি নির্দিষ্ট বক্সে থাকে, যা বাড়ানো যায় না। একে কম্প্যাক্ট পিএলসিও বলে।
১১. মডুলার পিএলসি (Modular PLC) কী?
উত্তর: এতে আলাদা আলাদা স্লট থাকে যেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী ইনপুট/আউটপুট কার্ড যোগ করা যায়।
১২. PLC এর স্ক্যান সাইকেল (Scan Cycle) কী?
উত্তর: ইনপুট রিড করা, প্রোগ্রাম এক্সিকিউট করা এবং আউটপুট আপডেট করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে স্ক্যান সাইকেল বলে।
১৩. স্ক্যান টাইম (Scan Time) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: একটি পূর্ণ স্ক্যান সাইকেল সম্পন্ন করতে PLC যে সময় নেয় (সাধারণত মিলি-সেকেন্ডে)।
১৪. I/O অ্যাড্রেসিং কী?
উত্তর: প্রতিটি ইনপুট ও আউটপুট পয়েন্টের একটি নির্দিষ্ট ঠিকানা থাকে যাতে CPU চিনতে পারে কোনটি থেকে সিগন্যাল আসছে।
১৫. PLC-তে অপ্টো-আইসোলেটর (Opto-isolator) কেন থাকে?
উত্তর: ইনপুট/আউটপুট সার্কিট থেকে CPU-কে উচ্চ ভোল্টেজের ক্ষতি থেকে রক্ষা করার জন্য।
১৬. সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের সম্পর্ক কী?
উত্তর: হার্ডওয়্যার হলো ফিজিক্যাল পার্টস, আর সফটওয়্যার হলো সেই লজিক যা হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে।
১৭. PLC এর সুবিধা কী?
উত্তর: ছোট জায়গা লাগে, সহজে লজিক পরিবর্তন করা যায়, ট্রাবলশুটিং সহজ এবং নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
১৮. PLC এর অসুবিধা কী?
উত্তর: প্রাথমিক খরচ বেশি এবং এটি পরিচালনার জন্য দক্ষ লোকের প্রয়োজন।
১৯. HMI কী?
উত্তর: Human Machine Interface। এর মাধ্যমে অপারেটর মেশিনের অবস্থা দেখতে পারে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
২০. SCADA এর সাথে PLC এর সম্পর্ক কী?
উত্তর: PLC ফিল্ড লেভেলে কাজ করে, আর SCADA সেই ডেটাগুলো সংগ্রহ করে পুরো সিস্টেমকে মনিটর করে।
২১. PLC প্রোগ্রামিংয়ের স্ট্যান্ডার্ড কী?
উত্তর: IEC 61131-3।
২২. সবচেয়ে জনপ্রিয় PLC ল্যাঙ্গুয়েজ কোনটি?
উত্তর: ল্যাডার লজিক (Ladder Logic)।
২৩. ল্যাডার ডায়াগ্রাম (LD) দেখতে কেমন?
উত্তর: এটি অনেকটা মই বা ল্যাডারের মতো, যেখানে দুটি ভার্টিক্যাল রেল (Power Rails) এবং মাঝখানে হরিজন্টাল রাং (Rungs) থাকে।
২৪. NO কন্টাক্ট কী?
উত্তর: Normally Open। সিগন্যাল না থাকলে এটি ওপেন থাকে, সিগন্যাল পেলে ক্লোজ হয়।
২৫. NC কন্টাক্ট কী?
উত্তর: Normally Closed। সিগন্যাল না থাকলে এটি ক্লোজ থাকে, সিগন্যাল পেলে ওপেন হয়।
২৬. PLC-তে মেমোরি বিট (Memory Bit) কী?
উত্তর: এটি একটি ভার্চুয়াল আউটপুট যা ফিজিক্যাল আউটপুটে কাজ না করে প্রোগ্রামের ভেতরে লজিক স্টোর করতে ব্যবহৃত হয়।
২৭. টাইমার (Timer) কী?
উত্তর: নির্দিষ্ট সময় পর কোনো আউটপুট অন বা অফ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
২৮. TON টাইমার কী?
উত্তর: Timer On Delay। ইনপুট আসার নির্দিষ্ট সময় পর আউটপুট অন হয়।
২৯. TOF টাইমার কী?
উত্তর: Timer Off Delay। ইনপুট চলে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর আউটপুট অফ হয়।
৩০. কাউন্টার (Counter) কী?
উত্তর: কোনো ইভেন্ট বা পালস গণনা করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয় (যেমন: বোতল কাউন্ট করা)।
৩১. CTU এবং CTD কী?
উত্তর: CTU হলো Count Up এবং CTD হলো Count Down।
৩২. ল্যাচিং (Latching) কেন করা হয়?
উত্তর: ক্ষণস্থায়ী ইনপুট (যেমন পুশ বাটন) দিয়ে কোনো আউটপুটকে স্থায়ীভাবে অন রাখার জন্য।
৩৩. ইন্টারলকিং (Interlocking) কী?
উত্তর: দুটি আউটপুট যেন একসাথে অন না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয় (যেমন মোটরের Forward ও Reverse)।
৩৪. কম্পারেটর (Comparator) ইনস্ট্রাকশন কী?
উত্তর: দুটি ভ্যালুর মধ্যে তুলনা (সমান, বড় বা ছোট) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৩৫. মুভ (MOVE) ইনস্ট্রাকশন কী?
উত্তর: এক মেমোরি লোকেশন থেকে অন্য লোকেশনে ডেটা কপি করার জন্য।
৩৬. সাব-রুটিন (Subroutine) কী?
উত্তর: বড় প্রোগ্রামকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নির্দিষ্ট কাজ করার পদ্ধতি।
৩৭. ম্যাথ ইনস্ট্রাকশন কোনগুলো?
উত্তর: যোগ (+), বিয়োগ (-), গুণ (*), ভাগ (/) ইত্যাদি।
৩৮. PID কন্ট্রোল কী?
উত্তর: Proportional-Integral-Derivative। এটি প্রসেস ভেরিয়েবলকে (যেমন তাপমাত্রা) নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৩৯. এনালগ টু ডিজিটাল কনভার্টার (ADC) কেন লাগে?
উত্তর: সেন্সরের এনালগ ভোল্টেজকে PLC-র বোঝার জন্য ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করতে।
৪০. ল্যাডার ডায়াগ্রামে 'Rail' কী নির্দেশ করে?
উত্তর: বাম পাশের রেল পাওয়ার সাপ্লাই (Hot/L1) এবং ডান পাশের রেল নিউট্রাল (Neutral/L2) নির্দেশ করে।
৪১. সিংকিং (Sinking) ইনপুট কী?
উত্তর: যদি ইনপুট মডিউলটি কমন হিসেবে গ্রাউন্ড বা নেগেটিভ (-) গ্রহণ করে।
৪২. সোর্সিং (Sourcing) ইনপুট কী?
উত্তর: যদি ইনপুট মডিউলটি কমন হিসেবে পজিটিভ (+) ভোল্টেজ সরবরাহ করে।
৪৩. রিলে আউটপুট মডিউল এর সুবিধা কী?
উত্তর: এটি AC এবং DC উভয় লোড চালাতে পারে এবং উচ্চ কারেন্ট সহ্য করতে পারে।
৪৪. ট্রানজিস্টর আউটপুট মডিউল কেন ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: এটি খুব দ্রুত সুইচিং করতে পারে (যেমন হাই স্পিড পালস)। তবে এটি শুধুমাত্র DC-তে কাজ করে।
৪৫. ট্রায়াক (Triac) আউটপুট কী?
উত্তর: এটি শুধুমাত্র AC লোড দ্রুত সুইচিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪৬. লিমিট সুইচ কী?
উত্তর: একটি মেকানিক্যাল সুইচ যা কোনো বস্তুর শেষ সীমা বা উপস্থিতি শনাক্ত করে PLC-কে সিগন্যাল দেয়।
৪৭. প্রক্সিমিটি সেন্সর (Proximity Sensor) কী?
উত্তর: স্পর্শ ছাড়াই ধাতব বা অধাতব বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত করার সেন্সর।
৪৮. এনকোডার (Encoder) কী?
উত্তর: মোটরের গতি বা শ্যাফটের পজিশন নির্ভুলভাবে মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪৯. PLC-তে ডিজিটাল ফিল্টার কেন ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ইনপুট সিগন্যালের নয়েজ বা বাউন্স দূর করার জন্য।
৫০. টার্মিনাল ব্লক কী?
উত্তর: যেখানে ইনপুট/আউটপুট তারগুলো স্ক্রু দিয়ে আটকানো হয়।
৫১. PLC-র জন্য আর্থিং কেন জরুরি?
উত্তর: ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক ইন্টারফারেন্স (EMI) থেকে প্রসেসরকে রক্ষা করতে এবং নিরাপত্তার জন্য।
৫২. ভোল্টেজ ড্রপ কীভাবে PLC-কে প্রভাবিত করে?
উত্তর: ইনপুট মডিউল ভুল সিগন্যাল পড়তে পারে বা CPU রিসেট হয়ে যেতে পারে।
৫৩. শিল্ডেড কেবল (Shielded Cable) কেন ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: কমিউনিকেশন বা এনালগ সিগন্যালকে বাইরের নয়েজ থেকে মুক্ত রাখতে।
৫৪. আরএস-২৩২ (RS-232) কী?
উত্তর: এক ধরণের সিরিয়াল কমিউনিকেশন প্রোটোকল যা পিসি থেকে পিএলসিতে প্রোগ্রাম আপলোড করতে ব্যবহৃত হতো।
৫৫. ইথারনেট (Ethernet) এর সুবিধা কী?
উত্তর: খুব দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার এবং দূরবর্তী স্থান থেকে PLC নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
৫৬. PLC মাউন্টিং (Mounting) কী?
উত্তর: প্যানেল বোর্ডে PLC আটকানোর পদ্ধতি (যেমন DIN Rail mounting)।
৫৭. ব্যাকপ্লেন (Backplane) কী?
উত্তর: মডুলার পিএলসি-র পেছনের বাস সিস্টেম যার মাধ্যমে মডিউলগুলো একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।
৫৮. IP রেটিং কী?
উত্তর: Ingress Protection। এটি জানায় ধুলো ও পানির বিরুদ্ধে PLC কতটা সুরক্ষিত (যেমন IP65)।
৫৯. PLC মেমোরি টাইপগুলো কী কী?
উত্তর: RAM, ROM, EEPROM এবং ফ্ল্যাশ মেমোরি।
৬০. ব্যাটারি ব্যাকআপ কেন থাকে?
উত্তর: পাওয়ার চলে গেলে যেন র‍্যামে থাকা প্রোগ্রাম বা ডেটা মুছে না যায়।
৬১. ফোর্স (Force) ফাংশন কী?
উত্তর: হার্ডওয়্যারে সিগন্যাল না থাকলেও সফটওয়্যারের মাধ্যমে জোরপূর্বক কোনো ইনপুট বা আউটপুটকে On/Off করা। (সতর্কতার সাথে করতে হয়)।
৬২. ওয়াচডগ টাইমার (Watchdog Timer) কী?
উত্তর: এটি মনিটর করে যে CPU বা প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে গেছে কিনা। যদি স্ক্যান টাইম নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যায়, তবে এটি PLC বন্ধ করে দেয়।
৬৩. রিমোট I/O কী?
উত্তর: যখন ইনপুট/আউটপুট মডিউলগুলো মূল PLC থেকে দূরে থাকে এবং কমিউনিকেশন কেবলের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
৬৪. প্রফিবাস (Profibus) কী?
উত্তর: সিমেন্স পিএলসিতে ব্যবহৃত এক ধরণের নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল।
৬৫. মডবাস (Modbus) কী?
উত্তর: এটি একটি ওপেন সোর্স প্রোটোকল যা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৬৬. PLC-তে পাসওয়ার্ড কেন দেওয়া হয়?
উত্তর: প্রোগ্রামের গোপনীয়তা রক্ষা এবং অননুমোদিত পরিবর্তন ঠেকানোর জন্য।
৬৭. ফার্মওয়্যার (Firmware) আপডেট কেন দরকার?
উত্তর: নতুন ফিচার যোগ করতে বা বাগ (Bug) ফিক্স করার জন্য।
৬৮. অনলাইন এডিটিং (Online Editing) কী?
উত্তর: মেশিন চালু থাকা অবস্থাতেই PLC প্রোগ্রামে পরিবর্তন আনা।
৬৯. PLC-র এরর লাইট (Error LED) কেন জ্বলে?
উত্তর: হার্ডওয়্যার ফেইলর, মেমোরি এরর বা লজিক্যাল ভুলের কারণে।
৭০. ফার্স্ট পাস (First Pass) বিট কী?
উত্তর: PLC পাওয়ার অন হওয়ার পর প্রথম স্ক্যান সাইকেলে শুধুমাত্র একবার এই বিটটি অন হয়।
৭১. রিটেনটিভ টাইমার (Retentive Timer) কী?
উত্তর: ইনপুট সিগন্যাল চলে গেলেও এটি আগের সময় মনে রাখতে পারে।
৭২. পয়েন্ট টু পয়েন্ট কমিউনিকেশন কী?
উত্তর: সরাসরি একটি ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে যোগাযোগ।
৭৩. PLC-তে ইনপুট সিমুলেশন কীভাবে করা হয়?
উত্তর: সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি সিগন্যাল দিয়ে লজিক টেস্ট করা।
৭৪. VFD এর সাথে PLC-র সংযোগ কেন দেওয়া হয়?
উত্তর: মোটরের স্পিড এবং ডিরেকশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
৭৫. PLC কেন হ্যাং হতে পারে?
উত্তর: ইলেকট্রিক্যাল স্পাইক, অতিরিক্ত তাপ বা প্রোগ্রামে ইনফিনিট লুপ তৈরি হলে।
৭৬. ডেটা লগিং (Data Logging) কী?
উত্তর: সময়ের সাথে সাথে প্রসেসের তথ্য মেমোরিতে সেভ করে রাখা।
৭৭. সিলিং (Sealing) সার্কিট কী?
উত্তর: ল্যাচিং করার আর এক নাম হলো সিলিং।
৭৮. ওভারলোডের সময় PLC কী করে?
উত্তর: যদি আউটপুটে শর্ট সার্কিট হয়, আধুনিক PLC-র প্রোটেকশন মডিউল আউটপুট বন্ধ করে দেয়।
৭৯. সার্ভো মোটর কন্ট্রোলে PLC-র ভূমিকা কী?
উত্তর: PLC পালস সিগন্যাল পাঠিয়ে মোটরের পজিশন নির্ভুলভাবে ঠিক করে।
৮০. ই-স্টপ (E-Stop) বা ইমার্জেন্সি স্টপ PLC-তে কীভাবে কাজ করে?
উত্তর: এটি হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উভয় স্তরেই সরাসরি সব আউটপুট বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৮১. শীর্ষস্থানীয় ৫টি PLC ব্র্যান্ডের নাম বলো।
উত্তর: Siemens, Allen-Bradley (Rockwell), Mitsubishi, Schneider Electric, এবং Delta।
৮২. Siemens এর জনপ্রিয় সফটওয়্যার কোনটি?
উত্তর: TIA Portal এবং Step 7।
৮৩. Allen-Bradley এর সফটওয়্যার কোনটি?
উত্তর: RSLogix 500 বা Studio 5000।
৮৪. Delta PLC-র জন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: WPLSoft বা ISPSoft।
৮৫. Mitsubishi PLC-র সফটওয়্যার কোনটি?
উত্তর: GX Works।
৮৬. অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে PLC-র ব্যবহার কী?
উত্তর: রোবটিক আর্ম কন্ট্রোল এবং অ্যাসেম্বলি লাইন ম্যানেজমেন্ট।
৮৭. ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিতে PLC-র কাজ কী?
উত্তর: বোতল ফিলিং, প্যাকিং এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ।
৮৮. ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে PLC কেন লাগে?
উত্তর: পাম্পের অন/অফ নিয়ন্ত্রণ এবং পানির লেভেল সেন্সিং করার জন্য।
৮৯. লিফটে (Elevator) কি PLC ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: হ্যাঁ, ফ্লোর কল এবং দরজার সেফটি নিয়ন্ত্রণের জন্য।
৯০. ট্রাফিক লাইট কন্ট্রোলে PLC-র সুবিধা কী?
উত্তর: সময়ের ভিত্তিতে লাইট পরিবর্তন করা খুব সহজ।
৯১. PLC-র ভবিষ্যৎ কী?
উত্তর: ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ (Industry 4.0) এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে আরও স্মার্ট কন্ট্রোল।
৯২. IIoT কী?
উত্তর: Industrial Internet of Things। PLC-কে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে দূর থেকে মনিটর করা।
৯৩. কিডক্যাশ (Codesys) কী?
উত্তর: এটি একটি ইউনিভার্সাল PLC প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার যা অনেক ব্র্যান্ড সাপোর্ট করে।
৯৪. PLC-র মাধ্যমে এনার্জি সেভিং কীভাবে সম্ভব?
উত্তর: যখন প্রয়োজন নেই তখন মেশিন বা লাইট অটোমেটিক অফ করে।
৯৫. ডিস্ট্রিবিউটেড কন্ট্রোল সিস্টেম (DCS) এবং PLC-র পার্থক্য কী?
উত্তর: DCS বড় এবং জটিল প্রসেস কন্ট্রোলের জন্য (যেমন অয়েল রিফাইনারি), আর PLC ফাস্ট মেশিনারি কন্ট্রোলের জন্য।
৯৬. PLC প্রোগ্রামে কমেন্ট (Comment) কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: যেন ভবিষ্যতে অন্য কোনো ইঞ্জিনিয়ার প্রোগ্রামটি সহজেই বুঝতে পারে।
৯৭. ব্যাকআপ ফাইল কেন রাখা জরুরি?
উত্তর: যদি PLC নষ্ট হয়ে যায় বা প্রোগ্রাম ডিলিট হয়ে যায়, তবে নতুন হার্ডওয়্যারে দ্রুত রিস্টোর করার জন্য।
৯৮. PLC-র ইনপুট মডিউলে ফিউজ থাকে কেন?
উত্তর: অতিরিক্ত কারেন্ট থেকে ইন্টারনাল সার্কিটকে রক্ষা করতে।
৯৯. রিয়েল টাইম ক্লক (RTC) কী?
উত্তর: PLC-র ভেতরে থাকা ঘড়ি যা তারিখ ও সময় ট্র্যাক করে।
১০০. একজন PLC প্রফেশনাল হওয়ার জন্য কী কী দক্ষতা দরকার?
উত্তর: ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট জ্ঞান, লজিক্যাল থিংকিং এবং অন্তত ১-২টি নামী ব্র্যান্ডের সফটওয়্যারে দক্ষতা।

plc training photo

বাংলা ব্যাকরণের ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলা ব্যাকরণের ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

🔹 ধ্বনি ও বর্ণ (১–১৫)
১. ধ্বনি কাকে বলে?
উত্তর: মানুষের মুখ দিয়ে উচ্চারিত অর্থপূর্ণ বা অর্থহীন শব্দের ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলা হয়।
👉 অর্থাৎ আমরা কথা বলার সময় যে শব্দ তৈরি করি, সেটাই ধ্বনি।
উদাহরণ:
“ক” একটি ধ্বনি, “আ” একটি ধ্বনি।
২. বর্ণ কাকে বলে?
উত্তর: ধ্বনির লিখিত বা লিখে প্রকাশিত রূপকে বর্ণ বলা হয়।
👉 আমরা যেগুলো লিখি বা দেখি—সেগুলো বর্ণ।
উদাহরণ:
ক, খ, গ, আ, ই — এগুলো বর্ণ।
৩. বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ কয়টি?
উত্তর: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে।
👉 এর মধ্যে
১১টি স্বরবর্ণ
৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ
৪. স্বরবর্ণ কী? কয়টি?
উত্তর: যেসব বর্ণ স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হতে পারে, সেগুলো স্বরবর্ণ।
👉 মোট ১১টি।
উদাহরণ:
অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ
৫. ব্যঞ্জনবর্ণ কী? কয়টি?
উত্তর: যেসব বর্ণ স্বরবর্ণ ছাড়া উচ্চারিত হতে পারে না, সেগুলো ব্যঞ্জনবর্ণ।
👉 মোট ৩৯টি।
উদাহরণ:
ক, খ, গ, ঘ, চ, ছ ইত্যাদি।
৬. কার কাকে বলে?
উত্তর: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত বা চিহ্নরূপ যা ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উচ্চারণ সহজ করে, তাকে কার বলা হয়।
উদাহরণ:
ক + া = কা
ক + ি = কি
এখানে “া”, “ি” হলো কার।
৭. যুক্তবর্ণ কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একসাথে যুক্ত হয়ে যে বর্ণ তৈরি করে, তাকে যুক্তবর্ণ বলে।
উদাহরণ:
ক + ষ = ক্ষ
ত + র = ত্র
জ + ঞ = জ্ঞ
৮. স্বরধ্বনি কী?
উত্তর: যে ধ্বনি স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয় এবং অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য লাগে না, তাকে স্বরধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
অ, আ, ই
৯. ব্যঞ্জনধ্বনি কী?
উত্তর: যে ধ্বনি স্বরধ্বনির সাহায্যে উচ্চারিত হয়, তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
“ক” একা উচ্চারণ করা যায় না—“ক + অ = ক”
১০. ঘোষ ধ্বনি কী?
উত্তর: উচ্চারণের সময় স্বরযন্ত্র কম্পিত হলে সেই ধ্বনিকে ঘোষ ধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
গ, ঘ, দ, ধ
👉 গলা কাঁপে।
১১. অঘোষ ধ্বনি কী?
উত্তর: উচ্চারণের সময় স্বরযন্ত্র কম্পিত না হলে তাকে অঘোষ ধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
ক, খ, প, ফ
১২. স্পর্শধ্বনি কী?
উত্তর: উচ্চারণের সময় মুখের অঙ্গগুলো সম্পূর্ণ স্পর্শ করে যে ধ্বনি তৈরি হয়, তাকে স্পর্শধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
ক, গ, ত, দ
১৩. নাসিক্যধ্বনি কী?
উত্তর: যে ধ্বনি নাক দিয়ে উচ্চারিত হয়, তাকে নাসিক্যধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
ঙ, ঞ, ণ, ন, ম
১৪. উষ্মধ্বনি কী?
উত্তর: যে ধ্বনি উচ্চারণে বায়ু ঘর্ষণ হয়, তাকে উষ্মধ্বনি বলে।
উদাহরণ:
শ, ষ, স, হ
১৫. অর্ধস্বর কী?
উত্তর: যেসব ধ্বনি স্বর ও ব্যঞ্জনের মাঝামাঝি, তাদের অর্ধস্বর বলা হয়।
উদাহরণ:
য, র, ল
🔹 শব্দ (১৬–৩০)
১৬. শব্দ কাকে বলে?
উত্তর: অর্থবোধক ধ্বনির সমষ্টিকে শব্দ বলে।
উদাহরণ:
“বই”, “মানুষ”, “পানি”
১৭. তৎসম শব্দ কী?
উত্তর: যে শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত অবস্থায় এসেছে, তাকে তৎসম শব্দ বলে।
উদাহরণ:
নর, নারী, সূর্য
১৮. তদ্ভব শব্দ কী?
উত্তর: সংস্কৃত শব্দ থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে এমন শব্দকে তদ্ভব বলে।
উদাহরণ:
নর → নর → লোক
দুগ্ধ → দুধ
১৯. দেশজ শব্দ কী?
উত্তর: বাংলা ভাষার নিজস্ব বা স্থানীয়ভাবে তৈরি শব্দকে দেশজ শব্দ বলে।
উদাহরণ:
খাবার, ঢোল, কুড়াল
২০. বিদেশি শব্দ কী?
উত্তর: অন্য ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা শব্দকে বিদেশি শব্দ বলে।
উদাহরণ:
স্কুল (ইংরেজি)
কিতাব (আরবি)
২১. সমার্থক শব্দ কী?
উত্তর: একই অর্থ বোঝায় এমন ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বলে।
উদাহরণ:
সূর্য = রবি = আদিত্য
২২. বিপরীতার্থক শব্দ কী?
উত্তর: বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ।
উদাহরণ:
ভাল ↔ মন্দ
দিন ↔ রাত
২৩. সমোচ্চারিত শব্দ কী?
উত্তর: যেসব শব্দের উচ্চারণ একই কিন্তু অর্থ ভিন্ন।
উদাহরণ:
কল (যন্ত্র), কল (কলা গাছ)
২৪. সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ কী?
উত্তর: একই উচ্চারণ কিন্তু ভিন্ন অর্থের শব্দ।
উদাহরণ:
চাল = rice / trick
২৫. উপসর্গ কী?
উত্তর: শব্দের আগে বসে অর্থ পরিবর্তন করে এমন অংশকে উপসর্গ বলে।
উদাহরণ:
অ + সুখ = অসুখ
বি + বিচার = বিবেচনা
২৬. অনুসর্গ কী?
উত্তর: শব্দের পরে বসে সম্পর্ক বোঝায়।
উদাহরণ:
বইটি তে
ঘরের ভিতরে
২৭. প্রত্যয় কী?
উত্তর: শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
উদাহরণ:
শিক্ষা + ক = শিক্ষক
খেলা + ড় = খেলোয়াড়
২৮. মূল শব্দ কী?
উত্তর: যে শব্দ থেকে অন্য শব্দ তৈরি হয়।
উদাহরণ:
“খেলা” → খেলোয়াড়, খেলাধুলা
২৯. যৌগিক শব্দ কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক শব্দ মিলিয়ে নতুন শব্দ তৈরি হলে তাকে যৌগিক শব্দ বলে।
উদাহরণ:
রেল + গাড়ি = রেলগাড়ি
৩০. সমাসবদ্ধ শব্দ কী?
উত্তর: সমাস প্রক্রিয়ায় সংক্ষেপিত শব্দকে সমাসবদ্ধ শব্দ বলে।
উদাহরণ:
রাজ + পুত্র = রাজপুত্র

🔹 পদ (৩১–৫০)
৩১. পদ কাকে বলে?
উত্তর: বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি অর্থবোধক শব্দকে পদ বলা হয়।
👉 শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় তখনই তা পদে পরিণত হয়।
উদাহরণ:
আমি বই পড়ি। → এখানে “আমি”, “বই”, “পড়ি” = পদ
৩২. পদ কয় প্রকার?
উত্তর: পদ ৮ প্রকার।
👉 বিশেষ্য, সর্বনাম, ক্রিয়া, বিশেষণ, ক্রিয়াবিশেষণ, অব্যয়, অনুসর্গ, সমুচ্চয় অব্যয়
৩৩. বিশেষ্য কী?
উত্তর: ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, গুণ বা ভাবের নামকে বিশেষ্য বলে।
উদাহরণ:
রহিম, ঢাকা, বই, সৌন্দর্য
৩৪. বিশেষণের কাজ কী?
উত্তর: বিশেষ্যের গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করা।
উদাহরণ:
লাল ফুল (লাল = বিশেষণ)
৩৫. সর্বনাম কী?
উত্তর: বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে সর্বনাম বলে।
উদাহরণ:
রহিম স্কুলে যায় → সে স্কুলে যায়
৩৬. ক্রিয়া কী?
উত্তর: যে পদ কাজ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে ক্রিয়া বলে।
উদাহরণ:
খাই, যাই, বসে
৩৭. ক্রিয়াবিশেষণ কী?
উত্তর: ক্রিয়ার সময়, স্থান, রীতি বা পরিমাণ বোঝায় এমন শব্দ।
উদাহরণ:
সে দ্রুত দৌড়ায় (দ্রুত = ক্রিয়াবিশেষণ)
৩৮. অব্যয় কী?
উত্তর: যে শব্দের কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না, তাকে অব্যয় বলে।
উদাহরণ:
এবং, কিন্তু, যদি
৩৯. সমুচ্চয় অব্যয় কী?
উত্তর: যে অব্যয় দুইটি শব্দ বা বাক্য যুক্ত করে।
উদাহরণ:
রহিম এবং করিম
৪০. অনুসর্গ কী?
উত্তর: বিশেষ্যের পরে বসে সম্পর্ক বোঝায়।
উদাহরণ:
বইয়ের উপর, ঘরের ভিতরে
৪১. ক্রিয়ার কাল কয় প্রকার?
উত্তর: ৩ প্রকার — বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ
৪২. বর্তমান কাল কী?
উত্তর: বর্তমানে ঘটছে এমন কাজ বোঝায়।
উদাহরণ:
আমি খাই
৪৩. অতীত কাল কী?
উত্তর: অতীতে সম্পন্ন কাজ বোঝায়।
উদাহরণ:
আমি খেয়েছিলাম
৪৪. ভবিষ্যৎ কাল কী?
উত্তর: ভবিষ্যতে ঘটবে এমন কাজ বোঝায়।
উদাহরণ:
আমি খাব
৪৫. পুরুষ কয় প্রকার?
উত্তর: ৩ প্রকার — উত্তম, মধ্যম, নাম পুরুষ
৪৬. উত্তম পুরুষ কী?
উত্তর: বক্তা নিজে।
উদাহরণ:
আমি, আমরা
৪৭. মধ্যম পুরুষ কী?
উত্তর: যাকে বলা হয়।
উদাহরণ:
তুমি, তোমরা
৪৮. নাম পুরুষ কী?
উত্তর: যার সম্পর্কে বলা হয়।
উদাহরণ:
সে, তারা
৪৯. লিঙ্গ কয় প্রকার?
উত্তর: ২ প্রকার — পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ
৫০. লিঙ্গের উদাহরণ দিন
উত্তর:
রাজা (পুংলিঙ্গ), রানি (স্ত্রীলিঙ্গ)
🔹 বাক্য (৫১–৭০)
৫১. বাক্য কী?
উত্তর: সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশকারী শব্দসমষ্টিকে বাক্য বলে।
উদাহরণ:
আমি স্কুলে যাই।
৫২. বাক্যের প্রধান অংশ কয়টি?
উত্তর: ২টি — উদ্দেশ্য ও বিধেয়
৫৩. উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: যার সম্পর্কে বলা হয়।
উদাহরণ:
রহিম খেলছে → রহিম = উদ্দেশ্য
৫৪. বিধেয় কী?
উত্তর: উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয়।
উদাহরণ:
খেলছে = বিধেয়
৫৫. সরল বাক্য কী?
উত্তর: একটি মাত্র ভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
আমি বই পড়ি।
৫৬. যৌগিক বাক্য কী?
উত্তর: একাধিক স্বাধীন বাক্য যুক্ত হয়।
উদাহরণ:
আমি পড়ি এবং সে খেলে
৫৭. জটিল বাক্য কী?
উত্তর: প্রধান ও অধীন বাক্য থাকে।
উদাহরণ:
যখন বৃষ্টি হয়, তখন আমি পড়ি
৫৮. কর্তা কী?
উত্তর: যে কাজটি করে।
উদাহরণ:
রহিম দৌড়ায় → রহিম = কর্তা
৫৯. কর্ম কী?
উত্তর: যার উপর কাজের প্রভাব পড়ে।
উদাহরণ:
আমি বই পড়ি → বই = কর্ম
৬০. ক্রিয়া পদ কী?
উত্তর: কাজ বোঝায় এমন পদ।
৬১. বাক্য কয় প্রকার?
উত্তর: ৫ প্রকার (বর্ণনামূলক, প্রশ্নবোধক, আদেশমূলক, বিস্ময়সূচক, প্রার্থনামূলক)
৬২. প্রশ্নবোধক বাক্য কী?
উত্তর: প্রশ্ন প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
তুমি কোথায় যাচ্ছ?
৬৩. আদেশমূলক বাক্য কী?
উত্তর: আদেশ বা অনুরোধ বোঝায়।
উদাহরণ:
দরজা বন্ধ করো
৬৪. বিস্ময়সূচক বাক্য কী?
উত্তর: বিস্ময় প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
কি সুন্দর!
৬৫. প্রার্থনামূলক বাক্য কী?
উত্তর: প্রার্থনা বোঝায়।
উদাহরণ:
আল্লাহ আমাকে সাহায্য করুন
৬৬. নৈবাচক বাক্য কী?
উত্তর: না বোঝায়।
উদাহরণ:
আমি যাই না
৬৭. ধনাত্মক বাক্য কী?
উত্তর: হ্যাঁ বোঝায়।
৬৮. বাক্যের শুদ্ধতা কেন জরুরি?
উত্তর: অর্থ পরিষ্কার করতে।
৬৯. বাক্য রূপান্তর কী?
উত্তর: বাক্যের ধরন পরিবর্তন।
৭০. উদাহরণ দিন
উত্তর:
আমি যাই → আমি যাই না
🔹 কারক ও বিভক্তি (৭১–৮৫)
৭১. কারক কয়টি?
উত্তর: ৬টি
৭২. কর্তৃকারক কী?
উত্তর: কর্তা বোঝায়
👉 রহিম খেলছে
৭৩. কর্মকারক কী?
উত্তর: কর্ম বোঝায়
👉 বই পড়ি
৭৪. করণ কারক কী?
উত্তর: যন্ত্র বোঝায়
👉 কলম দিয়ে লিখি
৭৫. অধিকরণ কারক কী?
উত্তর: স্থান বোঝায়
👉 ঘরে বসি
৭৬. অপাদান কারক কী?
উত্তর: বিচ্ছেদ বোঝায়
👉 গাছ থেকে পড়ল
৭৭. সম্বন্ধ কারক কী?
উত্তর: সম্পর্ক বোঝায়
👉 রহিমের বই
৭৮. বিভক্তি কী?
উত্তর: কারক নির্দেশক চিহ্ন
৭৯. বিভক্তির উদাহরণ
উত্তর:
এর, কে, তে
৮০. শূন্য বিভক্তি কী?
উত্তর: বিভক্তি না থাকলেও বোঝা যায়
👉 আমি যাই
৮১. কারক ও বিভক্তির পার্থক্য
উত্তর: কারক অর্থ বোঝায়, বিভক্তি চিহ্ন।
৮২. কর্তা কারক চিহ্ন
উত্তর: শূন্য
৮৩. কর্ম কারক চিহ্ন
উত্তর: কে
৮৪. অধিকরণ চিহ্ন
উত্তর: তে
৮৫. অপাদান চিহ্ন
উত্তর: থেকে
🔹 সমাস ও সন্ধি (৮৬–১০০)
৮৬. সমাস কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক শব্দ সংক্ষেপে প্রকাশ।
৮৭. দ্বন্দ্ব সমাস কী?
উত্তর: উভয় শব্দ সমান
👉 মা-বাবা
৮৮. তৎপুরুষ সমাস কী?
উত্তর: পরের শব্দ প্রধান
👉 রাজপুত্র
৮৯. বহুব্রীহি সমাস কী?
উত্তর: অন্য কিছুকে বোঝায়
👉 চক্রপাণি (বিষ্ণু)
৯০. কর্মধারয় সমাস কী?
উত্তর: বিশেষণ + বিশেষ্য
👉 নীল আকাশ
৯১. সন্ধি কী?
উত্তর: ধ্বনির মিলন
৯২. স্বরসন্ধি কী?
উত্তর: স্বরের মিলন
👉 দেব + আলয় = দেবালয়
৯৩. ব্যঞ্জনসন্ধি কী?
উত্তর: ব্যঞ্জনের মিলন
৯৪. বিসর্গসন্ধি কী?
উত্তর: বিসর্গ যুক্ত মিলন
৯৫. সন্ধি বিচ্ছেদ কী?
উত্তর: ভেঙে মূল শব্দ বের করা
৯৬. উদাহরণ
উত্তর:
লোকালয় = লোক + আলয়
৯৭. সমাসের উদাহরণ
উত্তর:
রাজপুত্র = রাজ + পুত্র
৯৮. সন্ধি ও সমাসের পার্থক্য
উত্তর:
👉 সন্ধি = ধ্বনি
👉 সমাস = শব্দ
৯৯. ব্যাকরণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: শুদ্ধ ভাষা ব্যবহারের জন্য
১০০. বাংলা ব্যাকরণের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: ভাষাকে শুদ্ধ, সুন্দর ও সঠিকভাবে ব্যবহার করা
 



পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ও রহস্যজনক ঘটনার বিবরণ

পৃথিবীর বুকে যুগ যুগ ধরে এমন অনেক ঘটনা ঘটে গেছে, যার পেছনের প্রকৃত সত্য বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আজও পুরোপুরি উদ্ঘাটিত হয়নি। মানুষের কৌতূহল আর ...