মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪

ডিপ্লোম্যাটিক ইলনেস বা কূটনৈতিক অসুস্থতা

 স্বাগতিক দেশের কোন অনুষ্ঠান বা মিটিংয়ে কোন দেশের রাষ্ট্রদূত যোগ দিতে না চাইলে বা অনুপস্থিত থাকতে চাইলে তিনি নিজেকে অসুস্থ দাবি করেন এবং অসুস্থ দাবি করে তিনি স্বাগতিক দেশের অনুষ্ঠান বা মিটিং এ অংশগ্রহণ  করেন না এটাকে ডিপ্লোম্যাটিক ইলনেস বা কূটনৈতিক অসুস্থতা বলে। 

শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪

সিডিউল ব্যাংক এবং নন সিডিউল ব্যাংক এর মধ্যে পার্থক্য

 সিডিউল বা তালিকাভুক্ত ব্যাংক 

যে ব্যাংক সমূহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম নীতি অনুসরণ করে তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় এবং তাদের দেওয়া পরিচালিত বিধি-বিধান এবং নিয়ম-নীতি মেনে ক্যাশ ও রিজার্ভ সংরক্ষণ করে থাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এসব ব্যাংক সমূহ প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ ও বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকে। 



নন সিডিউল বা অতালিকাভুক্ত ব্যাংক 

যে সকল ব্যাংক সমূহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম নীতি মেনে তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় না তাদেরকে নন সিডিউল বা অতালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। অতালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহ কেন্দ্রীয়  ব্যাংক থেকে  আর্থিক সহায়তা  পায় না। 

এ ব্যাংক সমূহ সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত না হলেও পরোক্ষভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণে  পরিচালিত হয়। 


নন-সিডিউল বা  অতালিকাভুক্ত ব্যাংক সমূহ চেক ইস্যু করতে পারেনা 

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোন সাবজেক্ট ভালো

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোন সাবজেক্ট ভালো ? কোন বিষয় নিয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং করলে কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবে।  এবং  কোন বিষয় নিয়ে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করে  কর্মের সুযোগ পেতে পারেন। বর্তমানে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ ২০ টির ও বেশি সাবজেক্ট আছে।

 বর্তমান সবগুলো বিষয়ের গুরুত্ব সমানভাবে নেই। যেসব বিষয়গুলো চাহিদা কর্মক্ষেত্রে বেশি সেসব বিষয়গুলোতে পড়তে হবে।

 ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভিন্ন বিষয়ে পড়ানো হয় যেমন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি   ডিপার্টমেন্টে ডিপ্লোমা  করার সুযোগ আছে। 

 আমি বলব সব থেকে বেশি সুযোগ বা বেশি চাকরি সুযোগ পেতে পারেন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং  এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বিষয় থেকে পাস করে। 

 ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা কর্মক্ষেত্রে  বিভিন্ন দিকে মুভ করতে পারেন যেমন টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এ বা পাওয়ার সেক্টরগুলোতে পাওয়ার জেনারেশন বা ডিস্ট্রিবিউশন বা পাওয়ার ইকুইপমেন্ট প্রোডাকশন বা ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলোতে বিভিন্ন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর চাহিদা বেশি।  তারপর বলব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কথা। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার  করা এবং বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করার জন্য প্রতি বছর বহু সিভিল ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন হয়।বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য কয়েকটি ভালো বিষয় হলো:


1. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং: বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তাঘাট, ব্রিজ, বিল্ডিং ইত্যাদি নির্মাণে দক্ষতা অর্জন করতে এই ডিপ্লোমা অনেক উপকারী।


2. ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই খাতে কাজের চাহিদা সবসময়ই থাকে।


3. মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং: উৎপাদন ও যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই কার্যকর। 


4. কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং: বর্তমান যুগে প্রযুক্তি ও আইটি সেক্টরের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের গুরুত্বও বৃদ্ধি পাচ্ছে।


5. আর্কিটেকচার: ডিজাইন ও নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে আর্কিটেকচারের চাহিদা অনেক বেশি। 


6. এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং: বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, তাই কৃষি খাতে উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে আপনি যে বিষয়টি পছন্দ করেন এবং যেখানে চাকরির সুযোগ বেশি রয়েছে, সেটি নির্বাচন করা সবচেয়ে ভালো হবে।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোন সাবজেক্ট ভালো

 একজন  ডিগ্রী ইঞ্জিনিয়ার এর পাশাপাশি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করে থাকেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কর্মক্ষেত্রে অনেক বেশি,  যেমন পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, গণপূর্ত এলজিইডি,সওজ এবং শিক্ষকতা ছাড়াও বহুবিধ কাজের সুযোগ রয়েছে। 

এছাড়াও ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর কেউ যদি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চান তাহলে ঢাকার ডুয়েটে রয়েছে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ। এছাড়াও দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ।বর্তমান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ডিপ্লোমা কমপ্লিট করার পর বিএসসি এমএসসি এবং পিএইচডি ডিগ্রিও সম্পন্ন করছেন। 

বুধবার, ২২ মে, ২০২৪

ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ National Payment Switch Bangladesh এটি কি ?

 


বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ডের উপর লেখা থাকে NPSB অথবা VISA।  আজ  আলোচনা করব NPSB  সম্পর্কে

ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (National Payment Switch Bangladesh):

National Payment Switch Bangladesh (NPSB) আস্তঃব্যাংক কার্ডভিত্তিক ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন সম্পাদনের লক্ষ্যে ব্যাংকগুলোকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করেছে।

mpintu

National Payment Switch Bangladesh (NPSB) এর মাধ্যমে এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের Automated Teller Machine (ATM) হতে টাকা তুলতে পারেন, অন্য ব্যাংকের Point of Sale (POS) টার্মিনালের মাধ্যমে পণ্য / সেবার মূল্য পরিশোধ করতে পারেন এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের (Banking) মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের গ্রাহককে টাকা পাঠাতে পারেন। 

 NPSB মাধ্যম ব্যবহার করে টাকা তুলতে হলে ১৫ টাকা স্টেটমেন্ট দেখতে হলে ৫ টাকা এবং ব্যালেন্স চেক করতে হলেও ৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য। এ চার্জ সমূহ  বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে পরিবর্তিত হতে পারে।যে ব্যাংকের গ্রাহক ওই ব্যাংকের এটিএম থেকে এসব সেবা গ্রহণ করলে কোন চার্জ প্রযোজ্য হবে না। 


সোমবার, ২০ মে, ২০২৪

অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল - ADC

 Alternative  delivery channel বাংলায় অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল সংক্ষেপে এডিসি,  এটির মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী প্রচলিত পন্থায় সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে অর্থ লেনদেন ছাড়া বিকল্প পন্থায় লেনদেনের যেসব মাধ্যম ব্যবহার করে থাকেন তাকে অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল বা এডিসি বলা হয়।



অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল সংক্ষেপে এডিসি এটির মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী সরাসরি ব্যাংক লেনদেনছাড়া বিকল্প পন্থায় লেনদেনের যেসব মাধ্যম ব্যবহার করে থাকেন তাকে অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল বলে  এটিএম বুথ বহুল প্রচলিত অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল এছাড়াও মোবাইল ব্যাংকিং ইন্টারনেট ব্যাংকিং এসএমএস ব্যাংকিং  সবই অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল

প্রথম বিশ্ব, দ্বিতীয় বিশ্ব, তৃতীয় বিশ্ব, চতুর্থ বিশ্ব

 প্রথম বিশ্ব, দ্বিতীয় বিশ্ব, তৃতীয় বিশ্ব, চতুর্থ বিশ্ব শব্দগুলো আমরা প্রায়ই শুনে থাকি কিন্তু এগুলো কি আজ সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো


প্রথম বিশ্ব বলতে সেইসব দেশ বা অঞ্চলকেই বোঝায় যারা আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পে উন্নত ও পুঁজিবাদী বিশ্বের অন্তর্ভুক্ত । বস্তুতপক্ষে  প্রথম বিশ্ববলতে বোঝানো হয়েছে পশ্চিম ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের অন্তর্ভুক্ত শিল্প উন্নত ও পুঁজিবাদী দেশসমূহ।


দ্বিতীয় বিশ্বের দেশগুলো সোভিয়েত  ইউনিয়নের দ্বারা প্রভাবিত ছিল। যেমনঃ কিউবা, ভিয়েতনাম ইত্যাদি।


 তৃতীয় বিশ্ব বলতে বুঝায় বিশ্বের প্রধান দুটি সামরিক জোট ন্যাটো ও ওয়ারসে  অংশ না নেওয়া তথা সোভিয়েত ও আমেরিকার পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক ব্লকে অংশ না নেওয়া  আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, এশিয়া, ওশেনিয়ার দেশগুলি হল তৃতীয় বিশ্ব।

একটা সময় তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলি গড়ে তোলে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন। যার নেতৃত্বে ছিলেন হরলাল নেহেরু, সুহার্তো ও টিটো। যেমনঃ ভারত, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া ।



চতুর্থ বিশ্ব বলতে বোঝায়  এশিয়া এবং আক্রিকার সব থেকে দারিদ্রপীড়িত দেশ যাদের মাথাপিছু আয় খুব কম, অর্থনীতি অন্য দেশের উপর নির্ভরশীল, প্রাকৃতিক সম্পদ অপ্রতুল, এবং ভবিষ্যতে উন্নত হবার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। যেমন- এঙ্গোলা, বেনিন, চাঁদ ইত্যাদি।


পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ও রহস্যজনক ঘটনার বিবরণ

পৃথিবীর বুকে যুগ যুগ ধরে এমন অনেক ঘটনা ঘটে গেছে, যার পেছনের প্রকৃত সত্য বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আজও পুরোপুরি উদ্ঘাটিত হয়নি। মানুষের কৌতূহল আর ...